সরকারি কর্মীদের হাজিরায় বড় বদল! পশ্চিমবঙ্গে আসছে জিও-ফেন্সড মোবাইল অ্যাটেনডেন্স ব্যবস্থা

Published on:

Published on:

Big change in attendance of government employees‌
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্ক : সরকারি কর্মীদের (Government Employees) হাজিরা ব্যবস্থায় বড়সড় বদলের পথে পশ্চিমবঙ্গ সরকার (West Bengal Government)। ভবিষ্যতে অফিসে উপস্থিতি নথিভুক্ত করতে আর আলাদা বায়োমেট্রিক মেশিনের উপর নির্ভর করতে হবে না। তার বদলে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে নির্দিষ্ট এলাকায় থেকেই উপস্থিতি জানাতে পারবেন কর্মীরা। এই নতুন ব্যবস্থার জন্য সম্প্রতি একটি নির্দেশিকা প্রকাশ করেছে সরকার।

সরকারি কর্মীদের (Government Employees) হাজিরা ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন সরকারের

নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রতিটি সরকারি অফিসের জন্য একটি নির্দিষ্ট ভৌগোলিক সীমা নির্ধারণ করা হবে। কর্মীরা সেই সীমার মধ্যে প্রবেশ করলেই স্মার্টফোনে নির্দিষ্ট অ্যাপ ব্যবহার করে হাজিরা নথিভুক্ত করতে পারবেন। ফলে অফিসে আলাদা ফিঙ্গারপ্রিন্ট বা ফেস রিকগনিশন ডিভাইস বসানোর প্রয়োজন থাকবে না। সরকারের দাবি, কয়েকটি দপ্তরে পরীক্ষামূলকভাবে এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে ইতিবাচক ফলও মিলেছে।

এর আগে ফেস রিকগনিশনভিত্তিক বায়োমেট্রিক ব্যবস্থা চালুর প্রস্তুতি চলছিল। সেই লক্ষ্যেই বিভিন্ন সরকারি দপ্তর WTL এবং WEBEL-এর সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেছিল। তবে নতুন নির্দেশিকায় হার্ডওয়্যারনির্ভর ব্যবস্থার পাশাপাশি সফটওয়্যারভিত্তিক বিকল্প ব্যবস্থাকেও অনুমোদনের কথা বলা হয়েছে। ফলে প্রয়োজন অনুযায়ী দপ্তরগুলি নিজেদের উপযোগী ব্যবস্থা বেছে নিতে পারবে। প্রশাসনের মতে, এই প্রযুক্তি চালু হলে একাধিক সুবিধা মিলবে। ব্যয়বহুল যন্ত্র কেনা কিংবা নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের খরচ অনেকটাই কমবে।

নতুন অফিসে এই ব্যবস্থা চালু করতেও বেশি সময় লাগবে না। একইসঙ্গে হাজিরা দেওয়ার জন্য কর্মীদের আর নির্দিষ্ট মেশিনের সামনে অপেক্ষা করতে হবে না। অফিস চত্বরে পৌঁছেই কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে মোবাইলের মাধ্যমে উপস্থিতি রেকর্ড করা সম্ভব হবে। ২৪ জুলাই-এ জারি হওয়া নির্দেশিকায় বিভিন্ন সরকারি দপ্তরকে এই প্রযুক্তি গ্রহণের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

Big change in attendance of government employees‌

আরও পড়ুন :করোনা তহবিলেও কোটি কোটি টাকার দুর্নীতি! চাঞ্চল্যকর রিপোর্ট সামনে

আগ্রহী দপ্তরগুলিকে WTL অথবা WEBEL-এর সঙ্গে যোগাযোগ করার কথাও জানানো হয়েছে। প্রশাসনের আশা, প্রযুক্তিনির্ভর এই উপস্থিতি ব্যবস্থা চালু হলে সরকারি অফিসে স্বচ্ছতা, সময়ানুবর্তিতা এবং প্রশাসনিক দক্ষতা আরও বাড়বে। পাশাপাশি হাজিরা সংক্রান্ত প্রক্রিয়াও হবে অনেক বেশি সহজ ও ঝামেলামুক্ত।