সরকারি কর্মীদের সপ্তম পে কমিশন নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য সরকার

Published on:

Published on:

7th pay commission(11)
Follow

বাংলাহান্ট ডেস্ক: নতুন সরকার গঠনের পর পরই বাংলায় সপ্তম পে কমিশন (7th pay commission) গঠনে অনুমোদন দিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন ২০২৭ সালের জানুয়ারি মাসের মধ্যেই রাজ্যে সপ্তম বেতন কমিশন চালু হবে। সম্প্রতি প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। এরই মধ্যেই সপ্তম বেতন কমিশনের চেয়ারম্যান বদল করল রাজ্য সরকার (Government of West Bengal)।

নয়া পে কমিশন নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত | 7th pay commission

সপ্তম পে কমিশন নিয়ে বর্তমানে রাজ্য সরকারি কর্মীদের মধ্যে চর্চা তুঙ্গে। গত ২২ জুলাই কমিশনের সদস্যদের নাম ঘোষণা করা হয় অর্থ দপ্তরের তরফে। কমিটির চেয়ারম্যান হন অবসরপ্রাপ্ত আইএএস এবং অর্থমন্ত্রকের প্রাক্তন সচিব অতনু চক্রবর্তী। তার পরপরই ফের কমিশনের চেয়ারম্যান বদল।

সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, অতনু চক্রবর্তীর পরিবর্তে প্রাক্তন আইএএস অফিসার নবীন প্রকাশ কমিশনের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব সামলাবেন। বাকি কমিশন সংক্রান্ত আর কোনো বিষয়ে বদল আনা হয়নি। বেতন কমিশনের বাকি শর্ত এবং নীতি অপরিবর্তিত থাকছে।

উল্লেখ্য, আগেই কমিশনের ‘টার্মস অব রেফারেন্স’ বা কাজের পরিধি ও দায়িত্বের খসড়া ঘোষণা হয়ে গিয়েছে। নয়া পে কমিশন সরকারি, সরকার পোষিত এবং আধা সরকারি কর্মীদের বেতনবৃদ্ধি, পেনশনভোগীদের পেনশনবৃদ্ধি, কর্মীদের পদোন্নতি সংক্রান্ত সমস্ত নীতি নির্ধারণ করবে। আগামী ৬ মাসের মধ্যে কমিশনকে রিপোর্ট দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

7th Pay Commission(6)

আরও পড়ুন: অন্নপূর্ণার টাকা নিয়ে জল্পনার মাঝে বড় আপডেট, কী জানালেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু?

বহুদিন ধরে কেন্দ্রীয় হারে ডিএ-র দাবিতে আন্দোলন করে আসছেন রাজ্য সরকারি কর্মীরা। সরকারি কর্মীদের মহার্ঘ ভাতা বা ডিএ এবং মহার্ঘ ত্রাণ বা ডিআর বৃদ্ধির হারও সপ্তম পে কমিশন (7th pay commission) নির্ধারণ করবে। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী ছয় মাসের মধ্যে কমিশন রিপোর্ট জমা করবে।