বাংলা হান্ট ডেস্কঃ কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court) বড় জয় পেল রাজ্য সরকার (Government of West Bengal)। সিঙ্গেল বেঞ্চের দেওয়া স্থগিতাদেশের নির্দেশ সম্পূর্ণ খারিজ করে দিয়েছে বিচারপতি অজয় গুপ্ত ও বিচারপতি শম্পা সরকারের ডিভিশন বেঞ্চ। সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগীদের খাবার সরবরাহ সংক্রান্ত টেন্ডারের উপর অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি কৃষ্ণা রাও। মঙ্গলবার তা খারিজ করে দেওয়া হয়।
হাইকোর্টে বড় জয় রাজ্যের | (Calcutta High Court)
গত জুলাই মাসে সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগীদের খাবার বাবদ বরাদ্দ বাড়ানোর কথা ঘোষণা করেছিল রাজ্য সরকার। এরপরেই রোগীদের খাবার সরবরাহ সংক্রান্ত টেন্ডার চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে মামলা করে একটি সংস্থা।
আরও পড়ুনঃ P-Tax আদায়ের নিয়মে বিরাট বদল! বেসরকারি কর্মীদের জন্য বড় ঘোষণা করলেন রাজ্যের অর্থমন্ত্রী
সেই মামলার শুনানি শেষে বিচারপতি কৃষ্ণা রাও রাজ্যের জারি করা টেন্ডারের উপর অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশের নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, ওই টেন্ডার অনুসারে আপাতত কোনও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে পারবে না রাজ্য। এরপর সিঙ্গেল বেঞ্চের এই নির্দেশ চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হয় সরকার।
এদিন সেই মামলার শুনানিতে বিচারপতি সরকার প্রশ্ন করেন, বিগত কয়েক বছরে রাজ্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় সব জিনিসের দাম বেড়েছে, এই বিষয়ে কোনও দ্বিমত নেই। তবে এই আইনি জটিলতার জন্য সরকার যদি জনস্বার্থে নতুন সিদ্ধান্ত নিতে না পারে, তাহলে কীভাবে চলবে?
শেষমেশ সব দিক বিবেচনা করে সিঙ্গেল বেঞ্চের অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশের নির্দেশ খারিজ করে দেয় হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। ফলে আগের ঘোষণা অনুযায়ী বর্ধিত খরচে খাবার সরবরাহ করতে রাজ্যের সামনে আর কোনও আইনি বাধা রইল না।

রাজ্যের সরকারি হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের খাবার সরবরাহ সংক্রান্ত টেন্ডার নিয়ে মামলার সূত্রপাত। মামলাকারী সংস্থার দাবি, গত ১০ এপ্রিল আদালতের দেওয়া নির্দেশে বলা হয়েছিল, সরকারি হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের খাবারের দাম নির্ধারণের জন্য একটি ব্রড-বেসড কমিটি তৈরি করতে হবে। খাবারের দামের তালিকা ওই কমিটি তৈরি করবে। এরপর তার ভিত্তিতে নতুন টেন্ডার ডাকতে হবে।
তাঁদের দাবি, এই নিয়ে হাইকোর্টে রাজ্যের রিপোর্ট জমা দেওয়ার কথা ছিল। তবে সেটা করার আগেই টেন্ডার জারি করে সরকার। গত শুক্রবার এই টেন্ডারের উপর অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দিয়েছিল হাইকোর্টের সিঙ্গেল বেঞ্চ। এদিন সেই নির্দেশ খারিজ করে রাজ্যের পক্ষে বড় রায় দিল বিচারপতি গুপ্ত ও বিচারপতি সরকারের ডিভিশন বেঞ্চ।

















