বাংলাহান্ট ডেস্ক: সামনেই আসছে জন্মাষ্টমী। আর জন্মাষ্টমীর সঙ্গে সঙ্গেই বাঙালির হেঁশেলে প্রবেশ করে তাল। রান্নাঘর দখল করে তালের বড়া, তালের লুচি, তালের ক্ষীর- তৈরি হয় নানান পদ। নাড়ুগোপালের ভোগে তো লাগেই, অনেকেই পছন্দ করেন তালের বড়া (Cooking Tips) সহ নানান খাবার। এমনকি মিষ্টির দোকানেও পাওয়া যায় তালের তৈরি নানান খাবার।
তালের বড়া (Cooking Tips) খেলেই অ্যাসিডিটির সমস্যা
তালের বড়া খেতে তো দারুণ লাগে। কিন্তু হজমের গোলমালে ভোগেন অনেকেই। অ্যাসিডিটি, বুক জ্বালার সমস্যা হয়ই, কিন্তু তাই বলে তো আর সুস্বাদু খাবার দূরে সরিয়ে রাখা যায় না। তাহলে প্রতিকারের উপায় কী?

কেন হয় হজমের সমস্যা: তালে কিন্তু পুষ্টিগুণ কম নেই। ভিটামিন এ, বি, সি, আয়রন, ক্যালশিয়াম, পটাশিয়াম রয়েছে তালে। পেটের জন্য বরং উপকারীই তালের রস। কিন্তু হজমের গোলমালটা বাঁধে তালের তৈরি বিভিন্ন পদ বানাতে গিয়ে। গুড়, আটা নানান কিছু মিশিয়ে ডুবো তেলে ভাজার জন্য হজম করতে গিয়ে বেগ পেতে হয় পেটকে। তালের বড়া ডুবো তেলে ভাজা হওয়ায় এতে ফ্যাটের মাত্রা খুব বেশি থাকে, যার জেরে পাকস্থলীর অ্যাসিড উপরের দিকে ঠেলে ওঠে। শুরু হয় বুক জ্বালা, অম্বলের সমস্যা।
আরও পড়ুন : এখনও বানাননি পিঙ্ক কার্ড, সেপ্টেম্বর থেকেই বাসে ফ্রি পরিষেবা বন্ধ? কী বলছে সরকার?
কীভাবে খাবেন তাল: তালের বড়ায় (Cooking Tips) ব্যবহৃত চিনি, গুড়, আটা, ময়দাও হজমে সমস্যা করতে পারে। তালের ক্কাথ হয় ভারী। হজমে সময় লাগে। রাতে খেলে হতে পারে সমস্যা। এই সমস্যাগুলি এড়াতে তালের ক্কাথ ১০-১৫ মিনিট ভালো করে ফুটিয়ে নিন। এতে গ্যাসট্রিকের ঝুঁকি কমে। ময়দার বদলে চালের গুঁড়ি বা সুজি, চিনির বদলে গুড় ব্যবহার করুন। তালের বড়া বা লুচি ভাজার পর টিস্যু পেপারের উপরে রাখুন। এতে বাড়তি তেল টেনে নেবে।
আরও পড়ুন : ঝাল-মিষ্টির যুগলবন্দিতে জিভে আসবে জল, হাতে ২০ মিনিট থাকলে বানিয়ে নিন ডিমের সাওজি কারি
খালি পেটে বা রাতে তালের বড়া খাওয়া এড়িয়ে চলুন। একেবারে অনেক নয়, ৪-৫ টি বড়া খাওয়াই ভালো। তালের মালপোয়া বা লুচিও একটি করে খাওয়াই ভালো।













