বাংলা হান্ট ডেস্ক: বর্তমান সময়ে দাঁড়িয়ে আধার কার্ড (Aadhaar Card) শুধুমাত্র পরিচয় পত্র নয়। এটি প্রতিটি ভারতীয় নাগরিকের দৈনন্দিন জীবনের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠেছে। পাশাপাশি সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পাওয়ার থেকে শুরু করে স্কুলে ভর্তি করা। অথবা ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট খোলা এবং সিম কার্ড কেনা সবকিছুর ক্ষেত্রে আধার কার্ডের গুরুত্ব অপরিসীম। তবে আজকের প্রতিবেদনে রইল এই নীল আধার কার্ড সম্পর্কে তথ্য।
নীল আধার কার্ডের ব্যবহার কী জানুন (Aadhaar Card)
আসলে এই নীল আধার কার্ড মূলত পাঁচ বছর কম বয়সীদের জন্য ইস্যু পড়ে ইউআইডিআই অথবা আধারের নিয়ামক সংস্থা। এটি শিশুদের নানান কাজে লেগে থাকে (Aadhaar Card)। সাধারণত আধার কার্ড আর এই কার্ডে মোটামুটি একই তথ্য থাকে।

আরও পড়ুন: হাওড়া-খড়গপুর শাখায় রেল পরিষেবায় কাটছাঁট, রক্ষণাবেক্ষণে বাতিল বহু ট্রেন
এই ক্ষেত্রে শিশুর নাম, বাবার নাম ও মায়ের নাম থাকে। পাশাপাশি থাকে আধার কার্ডের নম্বর। এছাড়া এই মিল্ক আধার কার্ড বা ব্লু আধার কার্ডের সঙ্গে বাবা-মায়ের আধার কার্ডের সংযোগ থাকে। তবে এই কার্ড শুধুমাত্র পাঁচ বছর বয়স পর্যন্ত এই দেওয়া হয়।
মূলত এই পাঁচ বছর বয়স পর্যন্ত শরীরের বেশ কিছু অংশ তৈরি হয় না। সেই কারণে ছোটদের বায়োমেট্রিক নেওয়া হয় না। তাদের কার্ড তৈরি সময় চোখের মনি স্ক্যান বা হাতের আঙ্গুলের স্ক্যান করা হয় না। বাবা মায়ের আঁধারের সঙ্গে লিংক করেই এই কার্ড তৈরি করা হয়।
তবে এখন একাধিক পোস্ট অফিসে আধার এনরোলমেন্ট সেন্টার রয়েছে। সেখানে গিয়ে প্রথমে ফর্ম ফিলআপ করতে হবে। তারপর শিশুর বার্থ সার্টিফিকেট, বাবা-মায়ের আধার কার্ড ইত্যাদি জমা দিতে হবে। তারপর শিশুর একটি ছবি তোলা হবে। এরপর ৯০ দিনের মধ্যেই কার্ডটা সাধারণ ঠিকানায় চলে আসে। এটাই হল নিয়ম (Aadhaar Card)।













