বাংলা হান্ট ডেস্কঃ পুজোর আগেই রাজ্যের দুই বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচন। ইতিমধ্যেই নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরের ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। এরপর থেকে কানাঘুষো শোনা যাচ্ছে, হাইভোল্টেজ নন্দীগ্রামে ফের প্রার্থী হতে পারেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। বৃহস্পতিবার এই নিয়ে প্রশ্ন করা হতেই কটাক্ষের সুরে রাজ্যের পঞ্চায়েতমন্ত্রী দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) বলেন, “উনি আর কোথায় কোথায় গিয়ে হারতে চান সেটা উনিই ভালো বলতে পারবেন।“
মমতাকে খোঁচা দিলীপের | (Dilip Ghosh)
আগামী ৬ অক্টোবর নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরে উপনির্বাচন। এই দুই কেন্দ্রে কালীঘাট তৃণমূল কাদের প্রার্থী করবে সেই নিয়ে বিস্তর জল্পনা কল্পনা চলছে। শোনা যাচ্ছে, নন্দীগ্রামে ফের মমতা নিজেই দাঁড়াতে পারেন। এদিন সকালে এই বিষয়ে প্রশ্ন করা হতেই চেনা মেজাজে জবাব দেন রাজ্যের পঞ্চায়েতমন্ত্রী।
আরও পড়ুনঃ অন্নপূর্ণার মতোই মাসে মাসে মিলবে ৩ হাজার! যুবশক্তির ফর্ম ফিল আপ কবে থেকে শুরু হচ্ছে জানুন
একুশের বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রামের ফলাফলের প্রসঙ্গ টেনে দিলীপ বলেন, “আগেও নন্দীগ্রামে হেরেছেন। ভবানীপুরে হেরেছেন। আর কোথায় কোথায় গিয়ে উনি হারতে চান ওনার ব্যাপার। উনিই এটা ভালো বলতে পারবেন।“
এই বিষয়ে কালীঘাট তৃণমূলের কাউন্সিলর বৈশান্বর চট্টোপাধ্যায় আবার দিলীপকে পাল্টা দিয়েছেন। তিনি বলেন, “আমাদের দলের বিষয়ে আমাদের ভাবতে দিন। ওনার চিন্তা করতে হবে না।“

একুশের বিধানসভা নির্বাচনে হাইভোল্টেজ নন্দীগ্রাম কেন্দ্রে প্রার্থী হয়েছিলেন মমতা। তবে ‘ঘরের ছেলে’ শুভেন্দু অধিকারীর কাছে পরাজিত হন তিনি। ছাব্বিশের ভোটে ফের ভবানীপুরে মুখোমুখি হন দু’জনে। তবে সেই আসনেও মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পরাজিত হন তৃণমূল নেত্রী।
এবার কানাঘুষো শোনা যাচ্ছে আসন্ন নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে কালীঘাট তৃণমূলের তরফে প্রার্থী হতে পারেন মমতা নিজে। ঋতব্রত শিবিরের তরফে ইতিমধ্যেই জানানো হয়েছে, মমতা ভোটে দাঁড়ালে তাঁরা প্রার্থী দেবেন না। নতুন তৃণমূলের তরফে ঋজু দত্ত একথা জানিয়েছেন।













