বাংলা হান্ট ডেস্ক: দিল্লি-সহ উত্তর ভারতের বিস্তীর্ণ অংশজুড়ে ভূকম্পন (Earthquake) অনুভূত হয়েছে। রাত ১০ টা বেজে ২৩ মিনিট নাগাদ অনুভূত হয় কম্পন। রিখটার স্কেলে (Richter Scale) ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৪.৯। দিল্লি , নয়ডা ও গাজিয়াবাদ সহ সমগ্র NCR (Delhi-NCR) জুড়ে এই কম্পন অনুভূত হয়। আকস্মিক ভূকম্পনে আতঙ্কিত হয়ে লোকজন ঘর থেকে বেরিয়ে রাস্তায় ছুটে আসেন। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী জানা গিয়েছে যে, ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল ছিল খাদুন লাগা গোয়ালী থেকে ২২ কিলোমিটার দূরে। উত্তরাখণ্ডের উত্তরকাশীতেও ৪.৪ মাত্রার ভূমিকম্প রেকর্ড করা হয়েছে। উত্তরাখণ্ডের সমস্ত জেলা ছাড়াও হিমাচল প্রদেশ, পাঞ্জাব ও অন্যান্য রাজ্য সহ উত্তর ভারতের বহু বিস্তীর্ণ অঞ্চলেও এই কম্পন অনুভূত হয়।
উত্তর ভারতের বিস্তীর্ণ অংশে ভূকম্পন (Earthquake):
জানিয়ে রাখি যে, পশ্চিম উত্তরপ্রদেশের বেশ কয়েকটি জেলাতেও ভূমিকম্পটি অনুভূত হয়েছে। যার কেন্দ্রস্থল ছিল আফগানিস্তানে এবং রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৬.১। এই কম্পনের ফলে গাজিয়াবাদ, নয়ডা ও মীরাটের মতো এলাকার হাউজিং সোসাইটিগুলিতে বসবাসকারী বাসিন্দারা বাড়ি থেকে বেরিয়ে এসেছেন।
EQ of M: 4.9, On: 06/10/2026 22:23:13 IST, Lat: 30.103 N, Long: 79.561 E, Depth: 13 Km, Location: Chamoli, Uttarakhand.
For more information Download the BhooKamp App
https://t.co/5gCOtjdtw0
@DrJitendraSingh
@OfficeOfDrJS
@tummalasrini
@GSuresh_NCS
@ndmaindia https://t.co/58BGGnvY1V— National Center for Seismology (@NCS_Earthquake) October 6, 2026
৩০ সেকেন্ড ধরে কম্পন অনুভূত হয়: উল্লেখ্য যে, প্রায় ৩০ সেকেন্ড ধরে কম্পন অনুভূত হওয়ায় মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। বহুতল ভবনে বসবাসকারীরা বিশেষভাবে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন এবং সঙ্গে সঙ্গে নিজেদের ভবন থেকে বেরিয়ে আসেন। যদিও ভূমিকম্পটি দীর্ঘস্থায়ী হয়নি, তবুও তা মানুষের মধ্যে ভয়ের সৃষ্টি করে। এমনিতেই দিল্লি NCR একটি ভূমিকম্প-প্রবণ অঞ্চল। নয়ডা এবং দিল্লি NCR অঞ্চল ভূমিকম্প-প্রবণ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত। দিল্লিকে সিসমিক জোন-৪-এ রাখা হয়েছে, যা ভূমিকম্পের জন্য একটি উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা হিসাবে বিবেচিত।
আরও পড়ুন: ক্ষুদ্র সংস্থাগুলির জন্য বড় সিদ্ধান্ত! ১০,০০০ কোটির SME গ্রোথ ফান্ডের অনুমোদন কেন্দ্রের
এদিকে, ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি তথা NCS অনুসারে, ৬ অক্টোবর দেশের বিভিন্ন অংশে এবং পার্শ্ববর্তী এলাকায় একাধিক ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। এই সাম্প্রতিক ঘটনাগুলি NCS-এর ওয়েবসাইটে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। বর্তমানে সব জায়গায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক আছে। বড় কোনও ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
আরও পড়ুন: ভারতের অর্থনীতির ওপর ভরসা World Bank-এর! বাড়ানো হল GDP Growth-এর অনুমান
ভূমিকম্প কেন হয়: জানিয়ে রাখি যে, পৃথিবীর পৃষ্ঠের নিচে সাতটি পাত রয়েছে যা ক্রমাগত চলাচল করে। যে স্থানগুলিতে এই পাতগুলো ঘন ঘন ধাক্কা খায়, সেগুলিকে চ্যুতি রেখা বলা হয়। বারবার সংঘর্ষের ফলে পাতগুলির কিনারা বেঁকে যায় এবং যখন চাপ খুব বেশি হয়ে যায়, তখন পাতগুলি ভাঙতে শুরু করে। এমতাবস্থায়, নিচ থেকে আসা শক্তি বাইরে বেরিয়ে আসার পথ খুঁজে নেয় এবং এই নড়াচড়ার ফলেই ভূমিকম্প হয়।













