৫ কোটির বিনিময়ে প্রেমানন্দের আশ্রমে গিয়েছিলেন বিরুষ্কা? বিতর্কের আবহে কী জানাল কোহলির টিম?

Published on:

Published on:

Did Virat Kohli and Anushka Sharma take money to go to Premanand Maharaj ashram?
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্ক: বৃন্দাবনে প্রেমানন্দ মহারাজের (Premanand Maharaj) আশ্রম পরিদর্শনের জন্য ৫ কোটি টাকা নিয়েছিলেন বিরাট (Virat Kohli)? কোহলির বিরুদ্ধে এহেন দাবি উঠতেই এবার বিরাটের তরফে একটি বিবৃতি জারি করা হয়েছে। যেখানে স্পষ্ট জানানো হয়েছে যে, এই দাবিগুলি সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন এবং তথ্যগতভাবে ভুল। উল্লেখ্য যে, রাধা কেলি কুঞ্জ আশ্রমে প্রেমানন্দ মহারাজের এক শিষ্যের রহস্যজনক মৃত্যুর পর এহেন দাবি সামনে আসে। শ্রী কৃষ্ণ জন্মভূমি সংঘর্ষ ন্যাসের সভাপতি ফলাহারি মহারাজ দাবি করেন যে, প্রেমানন্দ মহারাজের আশ্রমে যাওয়ার জন্য কোহলি এবং অনুষ্কাকে (Anushka Sharma) ৫ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছিল। মূলত, আধ্যাত্মিক গুরুর জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি করার জন্যই এমনটা করা হয় বলে দাবি করেন তিনি।

৫ কোটির বিনিময়ে প্রেমানন্দের (Premanand Maharaj) আশ্রমে গিয়েছিলেন বিরুষ্কা?

কী জানানো হয়েছে কোহলির তরফে: এই অভিযোগগুলি প্রত্যাখ্যান করে কোহলির দল বলেছে, ‘আমরা স্পষ্টভাবে বলতে চাই যে, বিরাট কোহলিকে নিয়ে ফলাহারি মহারাজ দীনেশ শর্মার করা দাবিগুলি সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন এবং তথ্যগতভাবে ভুল।’ বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, ‘মহারাজ জির প্রতি গভীর বিশ্বাস ও ভক্তির কারণেই বিরাট কোহলি প্রেমানন্দ মহারাজ জির কাছে যান। আমরা এই দাবিগুলি দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করছি এবং মিডিয়াকে সতর্কতা অবলম্বন করতে, এই ধরনের কনটেন্ট প্রতিবেদন বা প্রচার করার আগে তথ্য যাচাই করতে এবং দায়িত্বশীলভাবে সংবাদ পরিবেশন করতে অনুরোধ করছি।’

কোহলি ও অনুষ্কা শর্মার নিয়মিত যাতায়াত: জানিয়ে রাখি যে, বিরাট কোহলি ও অনুষ্কা শর্মা যে ওই আশ্রমে যাওয়ার জন্য কোনও অর্থ পেয়েছিলেন, এমন প্রমাণ নেই। কোহলি  অনুষ্কা শর্মা নিয়মিত রাধা কেলি কুঞ্জ আশ্রমে যান। এই তারকা দম্পতি ২০২৩ সালের ৪ জানুয়ারি প্রথমবারের মতো আশ্রমটি পরিদর্শন করেন। এরপর থেকে তাঁরা ওই আশ্রমে বেশ কয়েকবার গিয়েছেন। T20 আন্তর্জাতিক ফরম্যাট থেকে অবসর নেওয়ার পরেও কোহলি সেখানকার আশ্রমে আসা-যাওয়া অব্যাহত রেখেছিলেন।

আরও পড়ুন: হোম-কার লোনে বাড়বে খরচ! ৪ বছরে এই প্রথম রেপো রেট বাড়াল RBI, কী জানালেন গভর্নর?

কেন বিতর্কের সূত্রপাত: প্রেমানন্দ মহারাজের আশ্রমকে ঘিরে বিতর্কের সূত্রপাত হয়, কারণ সম্প্রতি তাঁর এক শিষ্য, রসিক দুলারি, মারা যান। ২৫ সেপ্টেম্বর, তিনি চতুর্থ তলা থেকে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেন। মথুরা পুলিশ তদন্ত করে দেখছে রসিক দুলারি কোনও মানসিক সমস্যা বা বিষণ্ণতায় ভুগছেন কি না।

আরও পড়ুন: আচমকাই কেঁপে উঠল রাজধানী দিল্লি! উত্তর ভারতের বিস্তীর্ণ অংশে ভূকম্পন, তীব্রতা কত?

এছাড়াও, তদন্তের একটি মূল দিক হল আশ্রমে যোগদানের আগে তাঁর আচরণ কেমন ছিল এবং তাতে কী পরিবর্তন এসেছিল তা নির্ধারণ করা। পুলিশ তাঁর পুরনো মোবাইল ফোন, নতুন সিম কার্ড, কল ডিটেইল রেকর্ড, চ্যাট এবং অন্যান্য ডিজিটাল প্রমাণ পরীক্ষা করছে। ওই আশ্রমে প্রেমানন্দ মহারাজের শিষ্যের মৃত্যুর ঘটনায় পুলিশ এখনও পর্যন্ত ৮৫ জনের জবানবন্দি রেকর্ড করেছে।