ইচ্ছেমত বাদ দেওয়া যাবে না নাম! ফর্ম-৭ নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত জাতীয় নির্বাচন কমিশনের

Published on:

Published on:

New Guidelines regarding Form 7 issued by Election Commission of India
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ ২০২৬ এর বিধানসভা নির্বাচনের (Assembly Elections) খেলা ঘুরে যাওয়ার পিছনেই অনেকটাই অবদান ছিল এসআইআর (SIR) পক্রিয়ার। এই SIR-এর ভোটার তালিকায় নাম বাতিল হওয়ার পর ফর্ম ৬ নিয়ে আগেই ব্যাপক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এরই মাঝে এবার ফর্ম ৭ নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত নিল জাতীয় নির্বাচন কমিশন (Election Commission of India)।

ফর্ম ৭ নিয়ে বড় জাতীয় নির্বাচন কমিশনের

এদিকে আর কিছুদিনের মধ্যেই ভোট রয়েছে উত্তরপ্রদেশে। আর ভোটের আগে সেখানেও SIR পক্রিয়া চলছে। যার ফলে সম্প্রতি উত্তরপ্রদেশেও এই নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছিল। আর ঠিক পরেই এবার নড়েচড়ে বসল নির্বাচন কমিশন। জানা যাচ্ছে, এবার ফর্ম-৭ আবেদনের সর্বোচ্চ সংখ্যা বেঁধে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

সরকারি নির্দেশ অনুযায়ী এবার ২০২৬ সালের ৯ই অক্টোবরের মধ্যে সমস্ত রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের মুখ্য নির্বাচনী কর্মকর্তাদের একটি চিঠি দিয়ে ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়ার জন্য সর্বোচ্চ সংখ্যক ফর্ম-৭ আবেদনের সীমা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ আর্টিফিশিয়াল রেজাল্ট! নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর উপনির্বাচনে হারের পর সাফাই কুণালের

আসলে এই ফর্ম-৭ এর মাধ্যমে কোনো এক ভোটারের নাম নথিভুক্ত করা যায়। তবে এবার কমিশনের তরফে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, কোনও ভোটার তালিকা থেকে কারও নাম বাদ দেওয়া বা অন্তর্ভুক্তিতে আপত্তি জানানোর ক্ষেত্রে সর্বাধিক ১০টি ‘ফর্ম ৭’ আবেদন করা যাবে।

নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী, ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ার বিরুদ্ধে আপত্তি জানিয়ে কিংবা তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়ার অনুরোধ জানাতে একজন ব্যক্তি সর্বোচ্চ ১০টি ফর্ম-৭ ফিল আপ করতে পারবেন। তবে এই সর্বোচ্চ সীমা অনলাইন এবং অফলাইন উভয় আবেদনের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। তাই ফর্ম ফিলাপ করার সময় আরও বেশি সতর্ক থাকতে হবে।

আসলে অনেকসময় দেখা গিয়েছে একজন ব্যক্তি বিপুল সংখ্যক আপত্তি দাখিল করছেন এবং কেউ কেউ কোনো উপযুক্ত তথ্য ছাড়াই আবেদনপত্র দাখিল করেছেন। এবার এই সমস্ত অভিযোগের ভিত্তিতেই এদিন কমিশনের পক্ষ থেকে এই পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।