বাংলা হান্ট ডেস্কঃ একসঙ্গে মোটা টাকা বিনিয়োগ করার ক্ষমতা সবার থাকে না। অনেকেই অল্প অল্প করে জমিয়ে বড় তহবিল গড়ে তুলতে চান। আপনিও যদি এমন কোনও প্রকল্পের খোঁজে থেকে থাকেন, তাহলে আপনার জন্য একটি ভালো বিকল্প হতে পারে পোস্ট অফিসের রেকারিং ডিপোজিট স্কিম (Recurring Deposit Scheme) তথা পোস্ট অফিস আরডি স্কিম (Post Office RD Scheme)।
রেকারিং ডিপোজিট স্কিমের হিসাব | (Recurring Deposit Scheme)
পোস্ট অফিসের রেকারিং ডিপোজিট স্কিমে মাত্র ১০০ টাকা দিয়ে বিনিয়োগ শুরু করা যায়। সর্বোচ্চ বিনিয়োগের কোনও ঊর্ধ্বসীমা নেই। বর্তমানে এই প্রকল্পে বছরে ৬.৭ শতাংশ হারে সুদ দেওয়া হচ্ছে। তবে আরডি স্কিমে পাঁচ বছরের লক ইন পিরিয়ড রয়েছে। অর্থাৎ এই সময়কাল অবধি টাকা জমা রাখতেই হয়।
আরও পড়ুনঃ সেরার সেরা সন্তোষ মিত্র স্কোয়ার! বিজেপি সরকারের প্রথম দেবী দুর্গা সম্মান পেল আর কোন কোন পুজো?
রেকারিং ডিপোজিটের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হল এখানে প্রত্যেক মাসে টাকা জমা করতে হয়। কোনও মাসে টাকা জমা করতে ভুলে গেলে জরিমানা দিতে হতে পারে। এমনকি পরপর কয়েক মাস টাকা জমা না করলে অ্যাকাউন্টও বন্ধ করে দেওয়া হতে পারে।
তবে পোস্ট অফিস রেকারিং ডিপোজিট স্কিমের বেশ কিছু সুবিধাও রয়েছে। যেমন, এই প্রকল্পটি শেয়ার বাজার মার্কেট লিঙ্কড নয়। মার্কেটের ওঠানামার উপর এই প্রকল্পের রিটার্ন নির্ভর করে না। এখানে নির্দিষ্ট সুদের হারের ভিত্তিতে নির্দিষ্ট রিটার্ন পাওয়া যায়।

যদি কোনও বিনিয়োগকারী পোস্ট অফিস রেকারিং ডিপোজিট স্কিমে মাসে মাসে ৬ হাজার টাকা করে বিনিয়োগ করেন তাহলে পাঁচ বছরে মোট বিনিয়োগের পরিমাণ হবে ৩.৬০ লাখ টাকা। এর উপর বার্ষিক ৬.৭ শতাংশ হারে সুদ হিসেবে আরও ৬৮ হাজার টাকা পাওয়া যাবে। সব মিলিয়ে মেয়াদপূর্তির সময় সুদ সহ মোট ৪,২৮,০০০ টাকা ফেরত পাওয়া যাবে।
অল্প অল্প করে জমিয়ে বড় তহবিল গড়ে তুলতে চাইলে পোস্ট অফিস রেকারিং ডিপোজিট স্কিম একটি ভালো বিকল্প হতে পারে। সঠিক পরিকল্পনা করে বিনিয়োগ করলে এখান থেকে মোটা টাকা রিটার্ন পাওয়া যেতে পারে।














