ড্রোনের জন্য আলাদা রানওয়ে! ভারতের এই রাজ্যে তৈরি হচ্ছে আধুনিক সামরিক ঘাঁটি

Published on:

Published on:

Follow

বাংলাহান্ট ডেস্ক: ভারতের (India) আকাশসীমা সুরক্ষায় আরও জোর দিতে ড্রোন পরিকাঠামো শক্তিশালী করার পথে বড় পদক্ষেপ নেওয়া হল। সিএনএন-নিউজ় ১৮-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, শুধুমাত্র ড্রোন পরিচালনার জন্য পৃথক রানওয়ে তৈরির সিদ্ধান্ত হয়েছে উত্তরপ্রদেশের মেরঠ-এ। সেনা সূত্রের দাবি, আধুনিক যুদ্ধকৌশলে ড্রোনের ক্রমবর্ধমান গুরুত্ব বিবেচনা করেই এই উদ্যোগ। লক্ষ্য— নজরদারি ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে আরও নিশ্ছিদ্র করা।

ভারতের (India) উত্তর প্রদেশে তৈরি হচ্ছে ড্রোনের জন্য রানওয়ে

সূত্রের খবর, প্রায় ৯০০ একর জমির উপর গড়ে উঠবে এই বিশেষ ঘাঁটি। নির্মাণের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বর্ডার রোড অর্গানাইজেশন (বিআরও)-কে। ২১১০ মিটার দীর্ঘ এবং ৪৫ মিটার চওড়া এই রানওয়ে মূলত ড্রোনের জন্য হলেও প্রয়োজন পড়লে সি-২৯৫ ও সি-১৩০ শ্রেণির সামরিক পরিবহণ বিমানও ব্যবহার করতে পারবে। রানওয়েতে থাকবে আইএও ক্যাট-২ ব্যবস্থা, যা কম দৃশ্যমানতাতেও নিরাপদ অবতরণ ও উড্ডয়নে সহায়তা করবে।

আরও পড়ুন: ৮ বার ব্যর্থ হয়েও বজায় রাখেন জেদ! সেনা অফিসার হয়ে নজির গড়লেন মিড-ডে মিল কর্মীর পুত্র

প্রকল্পের অংশ হিসেবে দু’টি বড় হ্যাঙ্গার নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে, প্রতিটির মাপ ৬০ বাই ৫০ মিটার। সেখানে ড্রোন ছাড়াও যুদ্ধবিমান রাখা এবং মেরামতির সুবিধা থাকবে। আপৎকালীন পরিস্থিতিতে দ্রুত অতিরিক্ত বিমান মোতায়েনের জন্য প্রয়োজনীয় পরিকাঠামোও তৈরি করা হবে। প্রতিরক্ষা মহলের মতে, ভবিষ্যতের যুদ্ধক্ষেত্রে গতিশীলতা ও দ্রুত প্রতিক্রিয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ—এই ঘাঁটি সেই সক্ষমতাই জোরদার করবে।

 

সাম্প্রতিক সামরিক অভিযানে ড্রোনের কার্যকারিতা স্পষ্ট হয়েছে। নজরদারি, টার্গেট চিহ্নিতকরণ এবং নির্দিষ্ট হামলায় ড্রোন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছে। প্রযুক্তিনির্ভর আধুনিক যুদ্ধব্যবস্থায় মানববিহীন আকাশযানের ব্যবহার দ্রুত বাড়ছে। সেই প্রেক্ষিতে ড্রোন পরিচালনার জন্য নির্দিষ্ট ও আধুনিক ঘাঁটির প্রয়োজনীয়তা দীর্ঘদিন ধরেই অনুভূত হচ্ছিল।

A runway for drones is being built in this Indian state

আরও পড়ুন: বর্ণবিদ্বেষের প্রাচীর ভেঙে নতুন দিশা! ঘোষণা হল ভারতের প্রথম ‘জাতপাত মুক্ত’ গ্রামের নাম

মেরঠে প্রস্তাবিত এই ড্রোন রানওয়ে সেই চাহিদা পূরণে বড় পদক্ষেপ বলে মনে করছে সেনা মহল। বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি কেবল অবকাঠামো উন্নয়ন নয়, বরং কৌশলগত প্রস্তুতির অংশ। আকাশপথে নজরদারি ও প্রতিরক্ষা শক্তিশালী করতে এই উদ্যোগ ভবিষ্যতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে বলেই আশা করা হচ্ছে।