বাংলা হান্ট ডেস্কঃ বিধানসভার সই-জাল কাণ্ডে তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি। ইতিমধ্যেই এই জল অনেকদূর গড়িয়েছে। তাতে বিড়ম্বনা বেড়েছে রাজ্যের প্রাক্তন শাসকদল তৃণমূলের। এই আবহে আবার রাজ্য বিধানসভার স্পিকার রথীন্দ্র বসুকে (Rathindra Bose) চিঠি দিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। সেই চিঠিতে বিরোধী দলনেতা হিসেবে ফের বালিগঞ্জের বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের নাম প্রস্তাব করা হয়েছে।
ফের স্পিকারকে চিঠি অভিষেকের (Abhishek Banerjee)
ভোটের ফল ঘোষণার পর প্রায় এক মাস হতে চললেও বিরোধী দলনেতা হিসেবে কারও নামে শিলমোহর দেননি অধ্যক্ষ রথীন্দ্র বসু। বর্তমানে সই-জাল কাণ্ডে তোলপাড় রাজনীতির আঙিনা। এই আবহে তৃণমূলের তরফে স্পিকারকে চিঠি দিয়ে ফের বিরোধী দলনেতা হিসেবে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের নাম প্রস্তাব করেছেন অভিষেক। এর পাশাপাশি ওই চিঠিতে মুখ্য সচেতক হিসেবে ফিরহাদ হাকিম ও দলের উপ দলনেতা হিসেবে অসীমা পাত্র ও নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম প্রস্তাব করা হয়েছে।
আরও পড়ুনঃ “বেঁচে থাকলে বিজেপি-কে সরাবই”! ধর্নামঞ্চ থেকে বিরাট হুঙ্কার মমতার
এদিন বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষ বিধানসভায় গিয়ে অভিষেকের (Abhishek Banerjee) এই চিঠি পৌঁছে দেন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন দলের আরেক বিধায়ক অসীমা পাত্র। তবে তাঁদের চিঠি গ্রহণ করা হয়নি বলে খবর। এই বিষয়ে স্পিকারের সচিব জানান, অধ্যক্ষের অনুমতি ব্যতীত বিরোধীদের কোনও চিঠি নেওয়া যাবে না। কুণাল বলেন, তাঁরা স্পিকার রথীন্দ্র বসুর টেবিলে চিঠিটি রেখে এসেছেন।

বিধানসভার সই-জাল কাণ্ড ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে জোর শোরগোল ফেলে দিয়েছে। সোমবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানান, এই বিষয়ে তৃণমূলের দুই বিধায়কই প্রথম স্পিকারের কাছে অভিযোগ করেছিলেন। এরপর ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ও সন্দীপন সাহাকে বহিষ্কার করে তৃণমূল। আগামীদিনে এই ইস্যু কোন দিকে মোড় নেয় সেটাই দেখার।













