বাংলা হান্ট ডেস্ক: ভারতে পেট্রোলের সঙ্গে ইথানল মেশানোর প্রক্রিয়া ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে। যার পরিপ্রেক্ষিতে বিতর্কের আবহ তৈরি হয়েছিল। এদিকে, সরকার এখন মিথানলের (Methanol) বিষয়েও বড় পদক্ষেপ নেওয়ার পরিকল্পনা করছে। মূলত, দেশে (India) জাহাজগুলিকে পরিবেশবান্ধব জ্বালানিতে রূপান্তরের জন্য সরকার (Government) মিথানলের ব্যবহারকে অগ্রাধিকার দিতে পারে। এক্ষেত্রে কর ছাড় থেকে শুরু করে বন্দরে জ্বালানির অভিন্ন মূল্য এবং অনুমোদন প্রক্রিয়া সহজ করার মতো বিকল্পগুলি বিবেচনা করা হচ্ছে। এর ফলে জাহাজে মিথানলের ব্যবহার বাড়তে পারে। ইতিমধ্যেই বন্দর, নৌপরিবহণ ও জলপথ মন্ত্রক তথা ডাইরেক্টরেট জেনারেল অফ শিপিং জাহাজে মিথানলের ব্যবহার নিয়ে একটি সমীক্ষা শুরু করেছে। এর আওতায়, ভারতীয় বন্দরগুলিতে মিথানল ভর্তিকারী জাহাজগুলির জন্য সুযোগ-সুবিধা উন্নত করার এবং বন্দরগুলিতে আরোপিত মাশুলে অভিন্নতা আনার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
ইথানলের পর মিথানলের (Methanol) পালা!
সরকারের উদ্দেশ্য: জানিয়ে রাখি যে, সরকার ভারতীয় বন্দরগুলিতে মিথানলের জন্য একটি অভিন্ন মূল্য নির্ধারণের কথা বিবেচনা করছে। এছাড়াও, জাহাজে জ্বালানি ভরার প্রক্রিয়া দ্রুততর করার এবং মিথানল রিফুয়েলিং সুবিধা স্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় অনুমোদন ত্বরান্বিত করার উপায়গুলি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এর লক্ষ্য হলো বন্দরে জাহাজের অবস্থানকাল কমানো। যদি বিভিন্ন বন্দরে জ্বালানির মূল্য এবং নিয়মকানুন সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়, তবে জাহাজ কোম্পানিগুলির জন্য মিথানলে স্থানান্তরিত হওয়া সহজ হতে পারে।

কৃষিবর্জ্য থেকে মিথানল উৎপাদন করা যায়: উল্লেখ্য যে, ভারত তার জ্বালানি চাহিদা মেটাতে বিপুল পরিমাণে জীবাশ্ম জ্বালানি আমদানি করে। তবে, মিথানল দেশীয়ভাবেও উৎপাদন করা সম্ভব। এর জন্য কৃষিকাজের বর্জ্য ব্যবহার করা যেতে পারে। অভ্যন্তরীণ উৎপাদন বৃদ্ধি করলে মিথানলের সহজলভ্যতা উন্নত হতে পারে। তবে, এর জন্য উৎপাদনের পাশাপাশি জ্বালানি সংরক্ষণ ও বন্দরে পরিবহণের সুবিধাও গড়ে তুলতে হবে।
আরও পড়ুন: IPL-এর এই দলের জার্সিতে দেখা যাবে Nike-এর লোগো! ফ্র্যাঞ্চাইজির সঙ্গে হল বড় চুক্তি
বিদেশি জাহাজ চাহিদা বাড়াতে পারে: জানিয়ে রাখি যে, ভারতীয় বন্দরগুলিতে আন্তর্জাতিক কন্টেইনার জাহাজের নিয়মিত আগমন মিথানলের চাহিদা বাড়াতে সাহায্য করতে পারে। এটি জ্বালানি সরবরাহকারীদের মিথানল উৎপাদন, সংরক্ষণ এবং জাহাজে জ্বালানি ভরার সুবিধাগুলিতে বিনিয়োগ করতে উৎসাহিত করবে। সরকার বিকল্প জ্বালানির অভ্যন্তরীণ সহজলভ্যতা বাড়ানোর জন্য কাজ করছে। এছাড়াও, মিথানল বেসড পরিবহণের জন্য প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো তৈরির কাজও শুরু হয়েছে।
আরও পড়ুন: শ্রীমতী টেকনো ইনস্টিটিউট ও শ্রীমতী প্রাইভেট ITI দ্বারা আয়োজিত হল গ্র্যান্ড জব ফেয়ার ও কনভোকেশন ডে
তবে, সরকারের পরিকল্পনাটি এখনও ধারণা পর্যায়েই রয়েছে। কর ছাড়, নিয়মের পরিবর্তন এবং নতুন সুযোগ-সুবিধা বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গৃহীত হওয়ার পরেই স্পষ্ট হবে যে, ভারতে জাহাজে মিথানলের ব্যবহার কখন থেকে শুরু হবে এবং সেটি কোন গতিতে বাস্তবায়িত হবে।














