বাংলাহান্ট ডেস্ক : বাংলাদেশে এবার ইলিশের আকাল। প্রথমবার ভারতের থেকে ইলিশ (Hilsa) আমদানি করেছে বাংলাদেশ। বিভিন্ন কারণে প্রতিবেশী দেশে এবছর ইলিশের উৎপাদন খুবই কম। উপরন্তু আগামী ৮ অক্টোবর থেকে ইলিশ রক্ষার্থে শুরু হচ্ছে ইলিশ মাছ ধরার উপরে সরকারি নিষেধাজ্ঞা। মোট ২২ দিনের এই নিষেধাজ্ঞার মধ্যে ইলিশ ধরা সরকারি ভাবে নিষেধ। তার আগে শেষ মুহূর্তেও জালে ইলিশ না ওঠায় চিন্তায় মৎস্যজীবীরা।
ইলিশের (Hilsa) উৎপাদন কমেছে বাংলাদেশে
বাংলাদেশের সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, গত বছর জুলাই থেকে অক্টোবর পর্যন্ত সাগরে ৩৩ হাজার ৯৩৪ মেট্রিক টন ইলিশ ধরা পড়েছিল। এবছর তা কমে এসেছে মাত্র ২৪ হাজার ৭৯ মেট্রিক টনে। গত ৫ বছর ধরেই ধারাবাহিক ভাবে কমে আসছে ইলিশের উৎপাদন। কিন্তু এর কারণ কী?

কেন কমছে ইলিশ: মৎস্য বিশেষজ্ঞদের মতে, নদীগুলির দূষণ বৃদ্ধি, অপরিকল্পিত কারণে গভীরতা ও নাব্যতা হ্রাস পাওয়ার কারণেই ইলিশের উৎপাদন কমেছে। তাই ইলিশ রক্ষার্থে সরকারের তরফে মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা জারি থাকে একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত। মা ইলিশ সংরক্ষণ করতে আগামী ৮ অক্টোবর থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত সারা দেশে ইলিশ ধরা, কেনাবেচা, পরিবহণ, মজুত, বাজারজাতকরণ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে জাতীয় টাস্কফোর্স কমিটি।
আরও পড়ুন : ট্রেনের টিকিটে লেখা GNWL, RLWL, PQWL, TQWL, কোন ওয়েটিং লিস্টে কনফার্ম হওয়ার সম্ভাবনা বেশি?
দাম বাড়ছে মাছের: ইলিশের (Hilsa) সরবরাহ ঠেকেছে তলানিতে। তার জেরে দামও ক্রমেই চড়ছে হু হু করে। বাংলাদেশের বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, বরিশালের পাইকারি বাজারেই গত এক সপ্তাহে কেজিতে দাম বেড়েছে ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা পর্যন্ত। জালে পর্যাপ্ত পরিমাণে ইলিশ না ওঠায় ঋণও বেড়ে চলেছে মৎস্যজীবীদের।
আরও পড়ুন: ঝাল খেতে ভালোবাসেন? কাঁচালঙ্কা ধনেপাতা দিয়ে রাঁধুন মুরগি, রইল রেসিপি
অনেকে ভেবেছিলেন শেষ মুহূর্তে কিছু মাছ ধরে দেনা শোধ করবেন। কিন্তু জালে ইলিশ না ওঠায় সেই আশাতেও জল পড়েছে। এর মাঝেই নিষেধাজ্ঞা জারি হওয়ায় সংসার চালাবেন কীভাবে তা নিয়েই চিন্তায় পড়েছেন অনেকে। এমতাবস্থায় মৎস্যজীবী সমিতির পক্ষ থেকে নিষেধাজ্ঞার সময়কালে পরিববারপিছু ১০০ কেজি চাল বরাদ্দ করার দাবি জানানো হয়েছে।













