বাংলা হান্ট ডেস্কঃ এখনও বঞ্চিত গ্রান্ট ইন এইড-রা। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মতো রাজ্য সরকারি কর্মীদের (Dearness Allowance) বকেয়া মহার্ঘ ভাতা রাজ্য সরকার মিটিয়ে দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করলেও একটা পয়সাও গ্রান্ট ইন এইড-রা পাননি বলে অভিযোগ। এদিকে ইন্দু মলহোত্রের নেতৃত্বাধীন মনিটরিং কমিটি তৃতীয় অন্তর্বর্তী রিপোর্টেও উল্লেখ নেই শিক্ষক, শিক্ষাকর্মী এবং ‘গ্রান্ট-ইন-এইড’ কর্মীদের। সবমিলিয়ে বিতর্ক বাড়ছে।
বকেয়া মহার্ঘ ভাতা নিয়ে বড় বার্তা ভাস্কর ঘোষের | Dearness Allowance
কেন বঞ্চিত গ্রান্ট ইন এইড-রা? বকেয়া DA নিয়ে মনিটরিং কমিটির রিপোর্ট সামনে আসতে ক্ষুব্ধ সকল কর্মীরা। এরই মধ্যে এই কর্মীদের হয়ে আওয়াজ তুললেন সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের আহ্বায়ক ভাস্কর ঘোষ। এদিন একটি ফেসবুক পোস্ট করে ভাস্করবাবু লিখেছেন, “সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ বিভেদহীনভাবেই সকলের জন্য DA CASE এ লড়াই করেছে ও জিতেছে। সকলের বকেয়া আদায় না হওয়া পর্যন্ত সবার জন্য লড়াই চলবে।”
উল্লেখ্য, পূর্বেও এই গ্রান্ট ইন এইড কর্মীদের অধিকারের জন্য আওয়াজ তুলে এসেছে যৌথ মঞ্চ। এর আগে সমাজমাধ্যমে ভাস্করবাবু লিখেছিলেন, ‘কোন পরিস্থিতিতেই হতাশই না বরং নতুন করে লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত হচ্ছি। গ্ৰান্ট-ইন-এইড কর্মচারীদের বকেয়া নিয়ে টালবাহানা চললে পথে নামবো, তবে এবার নামলে নতুন ইতিহাস সৃষ্টি করার জন্য নামবো।’ তিনি আরও বলেছিলেন, “গ্ৰান্ট ইন এইড কর্মচারীদের সমস্যা সমাধান এখন আমাদের পাখির চোখ।”

আরও পড়ুন: দীপাবলির আগে আরও ৫% DA বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য সরকার, বকেয়ার টাকা মিলবে ১ নভেম্বর
সুপ্রিম কোর্টে ডিএ মামলার শুনানিতেও সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের তরফে, রাজ্যের গ্র্যান্ট-ইন-এইড আওতাভুক্ত শিক্ষক-শিক্ষিকা ও কর্মীরা বকেয়া ডিএ-র বিষয় নিয়ে একাধিকবার প্রশ্ন করা হয়। সরকারি পোষিত কর্মীরা এখনও বকেয়ার কোনো অংশ পাননি। বহু কর্মচারীদের বকেয়া মেটানো হলেও কেন, গ্র্যান্ট-ইন-এইড প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীরা সম্পূর্ণরূপে বাদ পড়লেন সেই প্রশ্ন আদালতেও তোলা হয় সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের তরফে।
আদালতের নির্দেশ মতো মনিটরিং কমিটির ১২ তারিখের এই বিষয় নিয়ে আলোচনার মাধ্যমে জট খোলার জোরালো সম্ভাবনা ছিল। গ্র্যান্ট-ইন-এইডভুক্ত কর্মীরা এই নিয়ে আশায় ছিলেন। তবে শেষ মুহূর্তে তা বাতিল হয়ে যায়। এবার ইন্দু মলহোত্রের নেতৃত্বাধীন মনিটরিং কমিটি তৃতীয় অন্তর্বর্তী রিপোর্টেও শিক্ষক, শিক্ষাকর্মী এবং ‘গ্রান্ট-ইন-এইড’ কর্মীদের উল্লেখ না থাকায় আশাহত সরকারি কর্মচারীরা।














