‘তৃণমূল সরকার যে কি কি বেচেনি সেটাই ভাবছি’, ইন্ডি জোটকে কটাক্ষ দেবাশীষ ধরের

Published on:

Published on:

Ex IPS BJP Leader Debasish Dhar taunts INDI Alliance and Mamata TMC
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ দুর্গা পুজোকে উপলক্ষ করে টাকা রোজগার থেকে শুরু করে দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে নিয়ে ইন্ডি জোটের (INDI Alliance) সাথে তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC) বৈঠক একাধিক ইস্যুতে এদিন সরব হলেন প্রাক্তন আইপিএস অফিসার তথা বিজেপি নেতা দেবাশীষ ধর (Debasish Dhar)।

INDI Alliance ও তৃণমূলের বৈঠক সহ একাধিক ইস্যু নিয়ে সরব দেবাশীষ ধর

বাংলায় রাজনৈতিক পালাবদলের পর এটাই বিজেপি শাসিত সরকারের প্রথম দুর্গাপুজো হতে চলেছে। এপ্রসঙ্গে দেবাশীষ বাবু বললেন, ‘প্রথমবার একটা সনাতনী দুর্গাপুজা হবে। তাতে, সবচেয়ে বড় যে বিষয়বস্তু থাকবে যে এতদিনের এই বাধা বিঘ্ন, এই আমরা ওরা এই সমস্ত অবস্থা কাটিয়ে উঠে, দুর্গাপুজা মানে আমাদের সব থেকে বড় মাতৃশক্তির কাছ থেকে আরাধনা করে, সারাবছরের যে এনার্জি সেটাকে কনজিউম করি। তার জন্য যাতে কোন বিভেদ না থাকে এবং সকলে মিলে যেন সুন্দরভাবে করতে পারি।’

পুজো নিয়ে আগের সরকারের আমলে একাধিক বিতর্ক হয়েছে। এই ইস্যুতেই ইন্দ্রনীল সেন এদিন ইডির দপ্তরে হাজিরা দিয়েছিলেন। বিজেপি নেতা এপ্রসঙ্গে য় বললেন, ‘অভিযোগটা মারাত্মক। বিদেশের যে বিভিন্ন নাগরিক বা বিভিন্ন যে অর্গানাইজেশন ছিল তাদের থেকেও টাকা নিয়েছে আর কি। মানে তৃণমূল সরকার যে কি কি বেচেনি সেটাই ভাবছি। তো আমার মনে হয় এই ধরনের যে দুর্গাপুজো টাকা রোজগারের একটা উৎস হতে পারে, তাও মন্ত্রী হয়ে এটা ঘৃণ্যতম একটা প্রয়াস।আমরা চাই, এবারে দুর্গাপূজা খুব ভালোভাবে হোক।’

আরও পড়ুনঃ ‘নাম নেই, গোত্র নেই, প্রতীক নেই… দুজনে মিলে একটা বড় শূন্য’ মমতা তৃণমূলকে কটাক্ষ শমীকের

সম্প্রতি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ইন্ডি জোটের সাথে বৈঠক করেছিলেন। সেই বৈঠকে জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণ থেকে শুরু করে একাধিক বিষয় নিয়ে তারা আলোচনা করেছেন। এপ্রসঙ্গে দেবাশীষ বাবুর কটাক্ষ, ‘আরও ১০০ বছর যদি বাঁচেন ধরে নিচ্ছি, আর ১০০ বছর ধরে যদি বৈঠক করেন কিছুই হবে না। প্রতিষ্ঠিত চোর ডাকাত ভ্যানিশ কুমার, যা খুশি বলুক না কেন। যারা নিজেরাই ভ্যানিশ হয়ে গিয়েছে, সবচেয়ে আরও খারাপ হবে যে দু চারটে পার্টি এখনও রাজ্যে ক্ষমতায় আছে সেই পার্টিগুলোকে দায়িত্ব নিয়ে তুলে দেবে। ‘

এরপরেই সরাসরি নাম নিয়েই মমতাকে কটাক্ষ করে তিনি বললেন, ‘মমতা ব্যানার্জি মানে বলে না যে ওই শনির দৃষ্টি। শনি যেদিকে দৃষ্টি দেয়, সেই জায়গাটা ভষ্ম হয়ে যায়। বাকি পার্টি গুলোরও সেই অবস্থা দাঁড়িয়েছে। ওটা বিরিয়ানি খাওয়ার জোট ছিল।মাঝে মাঝে পার্টি করা হয় না, মাঝেমধ্যে দেখবেন সন্ধ্যাবেলা বন্ধুরা বেরিয়ে পার্টি করে, আড্ডা মারে। মাঝে মাঝে ডেকে গেট টুগেদার হয় । গেট টুগেদার মাঝে মাঝে হয় তারপরে আর খুঁজে পাওয়া যায় না।’