‘লোকসভায় মমতাকে সাসপেন্ড করুন’, বিধানসভা থেকে নির্বাসিত হতেই পালটা তোপ দাগলেন শুভেন্দু

বাংলা হান্ট ডেস্ক : BJP-র মেগা সম্মেলনের দিনই বন্ধ হয়ে গেল শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) গলার আওয়াজ। তবে তাতেও কি থামানো গেল তাকে? এইদিন শাহর শাহী সভায় কার্যত ভাঙা গলা নিয়েই হুঙ্কার ছাড়লেন তিনি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) সহ শাসকদলের সমস্ত নেতা মন্ত্রীদের একহাত নিলেন তিনি। ভোটের আগে আরও একবার উজ্জীবিত করলেন দলের কর্মীদের।

ভাঙা গলাতেই হুঙ্কার শুভেন্দুর 

   

বিধানসভার অধিবেশন বা যে কোনও মিটিং মিছিল রাজ্য স্তরে বিজেপির অন্যতম প্রধান বক্তা শুভেন্দু অধিকারী। তার গলার তেজেই জেগে ওঠে বঙ্গ বিজেপির কর্মীরা। তবে এইদিন ধর্মতলার সমাবেশে শুভেন্দুর ভাষণে তেজ থাকলেও ভাঙা গলায় অনুপস্থিত সেই তেজ। তবে সেই ভাঙা গলাতেই হুঙ্কার দিতে ছাড়লেননা তিনি।

লোকসভায় মমতাকে সাসপেন্ড করার অভিযোগ

ভাঙা গলাতেই সুর চড়িয়ে শুভেন্দুর প্রশ্ন, লোকসভায় মমতাকে সাসপেন্ড করবেন তো?’ উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবারই বিধানসভার শীতকালীন অধিবেশন থেকে সাসপেন্ড করা হয়েছে শুভেন্দুকে। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি বিধানসভার স্পিকারের সাথে অভাব্য আচরণ করেছেন। আর এবার সেই ইস্যু টেনেই শুভেন্দু অধিকারীর আক্রমণ।

আরও পড়ুন : নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় জামিন পেলেন পর্ষদের প্রাক্তন সভাপতি কল্যাণময়, যেতে পারবেন না কলকাতার বাইরে

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চোর বলে কটাক্ষ 

রীতিমতো কটাক্ষ শানিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ‘চোর’ বলে অভিহিত করেন তিনি। শুভেন্দুর কথায়, ‘চোরেদের রাণীকে সমূলে উৎপাটন করতে এসেছেন অমিত শাহ। বারবার বাধা দেওয়া সত্ত্বেও কোর্ট থেকে অনুমতি নিয়ে এই সভা করছি আমরা। তাতেও মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত যোগদানকে আটকাতে পারেনি। শুধু এখানে নয়, রেড কোড, শহিদ মিনারে লাখ লাখ মানুষ দাঁড়িয়ে আছেন। আপনারা আজ প্রমাণ করলেন BJP পশ্চিমবঙ্গে পরিবর্তন আনবে আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে যেতে হবেই।’

আরও পড়ুন : দূরপাল্লার ট্রেনে মিলবে বিনামূল্যে খাবার-জল, কীভাবে পাবেন সুবিধা? জেনে নিন

suvendu 3

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শহরে পা রাখার আগেই কলকাতা জুড়ে তৃণমূলের পোস্টার, ব্যানার। আর সেইসব পোস্টারে লেখা রয়েছে, “মোটা ভাই, ভোট নাই।” আর ‘মোটা ভাই’ শব্দবন্ধ যে অমিত শাহের জন্যই ব্যবহার করা হয় সেকথা তো সকলেই জানেন। এই বিষয়টা নিয়েও তীব্র কটাক্ষ করেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, ‘এই দলের কোন শৃঙ্খলা নেই, কোন সংস্কৃতি নেই , বাংলার মানুষ এটা দেখছে।’ পাশাপাশি বাংলার বদনামের জন্যেও তৃণমূলকে দায়ি করেন তিনি।