পুলিশের সামনেই তমলুকে BJP-র পঞ্চায়েতে ‘তৃণমূলের’ তাণ্ডব! CCTV পোস্ট করে বিস্ফোরক শুভেন্দু

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ তমলুকে বিজেপির পঞ্চায়েত অফিস (BJP Panchayat Office) ভাঙচুরের ঘটনায় চড়ছে রাজনৈতিক পারদ। অভিযোগ শাসকদল তৃণমূল (Trinamool Congress) কংগ্রেস আশ্রিত দুষ্কৃতীরা বিজেপির পঞ্চায়েত অফিসে গিয়ে তাণ্ডব চালিয়েছে। পুলিশের উপস্থিতিতেই হয়েছে সবটা। যা নিয়ে তুঙ্গে শোরগোল। ঘটনার দোষীদের শাস্তির দাবিতে সরব হয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)।

   

বুধবার তমলুক ব্লকের কুলবেড়ায় বিজেপি পরিচালিত উত্তর সোনামুই গ্রাম পঞ্চায়েত কাৰ্যালয় পুলিশের উপস্থিতিতে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা ভাঙচুর করেছে বলে অভিযোগ বিজেপির। ওদিকে পাল্টা তৃণমূলের দাবি, তারা নয়, বরং সাধারণ মানুষেরা একশো দিনের কাজের বকেয়া টাকার দাবিতেই তাণ্ডব চালিয়েছে।

প্রসঙ্গত উত্তর সোনামুই পঞ্চায়েত বর্তমানে বিজেপির দখলে। গতকাল ওই গ্রাম পঞ্চায়েতের সামনেই একটি সভার আয়োজন করেছিল তৃণমূল। বিজেপির অভিযোগ, সেই সভায় দাঁড়িয়েসোমনাথ বেরা ও গ্রাম পঞ্চায়েতের বিরোধী দলনেতা জাকির হোসেন একের পর এক উস্কানিমূলক মন্তব্য দেন। এরপরই তৃণমূলের লোকজন বিজেপির ওই অফিষে ভাঙচুর করে। আর সমস্ত ঘটনাই হয় পুলিশের উপস্থিতিতে।

গতকাল ওই ঘটনার পরই পঞ্চায়েত অফিস পরিদর্শন করেন বিরোধী দলেনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, “তৃণমূল দিনের পর দিন লুঠ চালিয়ে পঞ্চায়েত অফিসকে কাটমানি দপ্তর তৈরী করেছিল। তবে আমরা জনগণের পঞ্চায়েত চাই। এত ভোট লুটের পরেও গত নির্বাচনে এলাকার মানুষ ভোট দিয়ে চোরেদের তাড়িয়েছেন। এবার ডাকাতদের তাড়ানোর পালা। ”

আরও পড়ুন: গালিগালাজ, মারধর! চাষীদের শান্তিপূর্ণ ধর্নায় পুলিশি ‘অত্যাচার’, ভিডিও পোস্ট করে শাস্তির দাবি শুভেন্দুর

গতকাল ওই ভাঙচুরের ঘটনার একটি সিসিটিভি ফুটেজ প্রমাণ হিসেবে পোস্ট করে সোশ্যাল মিডিয়ায় শুভেন্দু লিখেছেন,” তমলুক ব্লকের কুলবেড়ায় বিজেপি পরিচালিত উত্তর সোনামুই গ্রাম পঞ্চায়েত কাৰ্যালয় গতকাল পুলিশের উপস্থিতিতে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা ভাঙচুর করেছে। সিসিটিভি তে পুলিশের উপস্থিতিতে ভাঙচুরের ঘটনায় জড়িতদের মুখ স্পষ্ট দেখা গেলেও এখনো পর্যন্ত মমতা পুলিশ তাদের গ্রেফতার করেনি।”

suvendu

গতকাল কুলবেড়ার উত্তর সোনামুই গ্রাম পঞ্চায়েত কার্যালয় পরিদর্শন করে শুভেন্দুর সাফ হুঁশিয়ারি, “আগামী ৭২ ঘন্টার মধ্যে প্রশাসন দোষীদের বিরুদ্ধে যথোপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে বিজেপি বৃহত্তর আন্দোলনে নামবে।”

সম্পর্কিত খবর