‘দিল্লিতে গিয়ে নাটক করছেন মমতা! এখানেও ফ্লপ… ওখানেও ফ্লপ হবেন’, বিস্ফোরক সুকান্ত মজুমদার

Updated on:

Updated on:

Sukanta Majumder says Mamata Banerjee will fail at Delhi too
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ একদিকে যেখানে রেজিনগরের ভোট নিয়ে উত্তাল রাজ্য রাজনীতি সেখানে দিল্লি পাড়ি দিচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। এই প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে সোজা সাপটা জবাব দিলেন বিজেপির কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। কী জানালেন তিনি? চলুন দেখে নেওয়া যাক।

দিল্লি গিয়ে নাটক করছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়!

এদিন সুকান্তবাবু শুরুতেই জানান, দেখুন কমিশনের নির্দিষ্ট পদ্ধতি আছে। কমিশনের সাথে দেখা করতে গেলে চিঠি দিতে হয়। আমি বিজেপির রাজ্য সভাপতি হিসেবে বহুবার কমিশনের সাথে দেখা দিল্লিতে কমিশনের সাথে দেখা করার সুযোগ আমাদের হয়েছিল। প্রত্যেকবারই কিন্তু আমরা লিখিতভাবে চিঠি দিয়ে ডেট এবং টাইম নিয়ে সেই নির্ধারিত দিনে নির্ধারিত সময়ে আমরা গিয়ে কিন্তু দেখা করতাম। আমরা কিন্তু শাসকদল দিল্লির। তবুও এইভাবেই দেখা করতাম, এটাই নিয়ম।

এরপর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিল্লি যাওয়া ও সেখানে নির্বাচন কমিশনের সাথে দেখা করতে চাওয়া প্রসঙ্গে তাঁকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, দেখুন যাদের যাদের যাওয়ার ইচ্ছে যান কে মানা করেছে? কেউ তো আটকে রাখেনি!  এখন গিয়ে কি হবে মমতা বন্দোপাধ্যায়ের সবই শেষ। এখন দিল্লিতে গিয়ে উনি নাটক করছেন। দিল্লিতে ওই নাটকও চলবে না, এখানেও ফ্লপ হয়েছে ওখানেও ফ্লাপ হবে। 

আরও পড়ুনঃ ‘কর্মই আমার ধর্ম’, ২৫ বছরের প্রশাসনিক সফরে বড় বার্তা মোদীর! দিলেন নতুন অধ্যায়ের সূচনার ডাক

মাদ্রাসা বোর্ড উঠিয়ে দেওয়া নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান, মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশন তুলে দেওয়া হয়েছে। এই প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে সুকান্ত মজুমদার জানান, দেখুন একটাই কমিশন থাকা উচিত। মাদ্রাসাকে আমরা আলাদা চোখে দেখি না। সরকারি মাদ্রাসাগুলো স্কুলই। স্বাভাবিকভাবে ওই শুধুমাত্র তোষণের জন্য মাদ্রাসা শব্দ রাখা হয়েছে সেটা রাখা না রেখে স্কুলের মত এডফার চালানো উচিত। তা স্কুল থাকতে আবার মাদ্রাসার প্রয়োজন হবে কেন? হিন্দুরা তো টোল চালায় না।

তাছাড়া সরকার কি টোল চালায়? তাহলে কোন একটি ধর্মীয় গোষ্ঠীর জন্য স্পেশাল স্কুল কেন তৈরি হবে? তাহলে জৈনদের জন্য আলাদা স্কুল, খ্রিস্টানদের জন্য আলাদা স্কুল, শিখদের জন্য আলাদা স্কুল। প্রত্যেকের জন্য তো আলাদা আলাদা স্কুল করতে হবে। দু চারজন খুজলে ইহুদিও পাওয়া যাবে কলকাতাতে। তাদের জন্য তাহলে আলাদা স্কুল করতে হবে।

এরপর ৪৮ ঘন্টার মধ্যে প্রায় ২৪ ঘন্টা পার হলেও এখনও প্রশান্ত বর্মন নিজেকে সারেন্ডার করেনি। এই প্রসঙ্গে তিনি জানান, দেখুন আদালতের বিচারাধীন বিষয়। সে ব্যাটা কোথায় ঘুরে বেড়াচ্ছে, কোথায় পালিয়ে বেড়াচ্ছে, সেটা তো পুলিশই বলতে পারবে। পুলিশের উচিত খুঁজে বের করা তাকে। তার বিরুদ্ধে এত বড় বড় সব অভিযোগ এসেছে, এমনকি জিরো পেয়েও নাকি ডবউবিসিএস এ প্রথম হওয়ার অভিযোগ আছে। এই সবকিছুরই তদন্ত হওয়া উচিত কেউ ছাড় পাওয়া উচিত নয়।

এছাড়া ইন্দ্রনীল সেনকে ইডির ডাক পাঠানো থেকে ভারতে অনুপ্রবেশকারীদের কি ব্যবস্থা করা হবে তা নিয়েও একাধিক প্রশ্নের জবাব দিয়েছেন সুকান্ত মজুমদার। সবটা জানতে নিচের ভিডিওটি দেখুন।