জেলায় জেলায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর দাপট! কোথায় কত বাহিনী এল?

Published on:

Published on:

Central Forces Begin Route March Across West Bengal Election
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ বিধানসভা নির্বাচন (West Bengal Election) ঘিরে রাজ্যে চূড়ান্ত প্রস্তুতি শুরু হয়ে গেছে। যে কোনও মুহূর্তে প্রকাশ হতে পারে ভোটের নির্ঘণ্ট। তার আগেই বাংলার বিভিন্ন জেলায় পৌঁছতে শুরু করেছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। উত্তরবঙ্গ থেকে দক্ষিণবঙ্গে রুট মার্চ করে ভোটের আগে নিরাপত্তা ও ভয়ভীতি দূর করার বার্তা দিচ্ছেন জওয়ানরা।

ভোটের (West Bengal Election) আগে কোথায় কত বাহিনী এল?

রবিবার দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় পৌঁছেছে চার কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। বিকেল থেকেই জেলার আটটি ব্লকে শুরু হয়েছে রুট মার্চ। জওয়ানদের সঙ্গে ছিলেন জেলা পুলিশ প্রশাসনের আধিকারিকরা। এই চারটি কোম্পানি মোতায়েন হয়েছে কুমারগঞ্জ, গঙ্গারামপুর, কুশমণ্ডি এবং হরিরামপুরে। প্রশাসন সূত্রে খবর, খুব শীঘ্রই আরও ছয় কোম্পানি বাহিনী জেলায় আসবে। যদিও এখনও পর্যন্ত বালুরঘাটে পৌঁছয়নি কেন্দ্রীয় বাহিনী। এদিন কুমারগঞ্জ, তপন, হরিরামপুর এবং বালুরঘাটের পাগলীগঞ্জ এলাকায় ভয়ভীতি দূর করতে রুট মার্চ করানো হয়। স্থানীয়দের সঙ্গে কথাও বলেন জওয়ানরা।

ধূপগুড়ি ও ডাউকিমারিতে টহল

উত্তরবঙ্গের ধূপগুড়িতেও পৌঁছে গিয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। শহরের অলিগলিতে শুরু হয়েছে রুট মার্চ। বিভিন্ন ভোটগ্রহণ কেন্দ্র পরিদর্শন করেন জওয়ানরা। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন রাজ্য পুলিশের আধিকারিকরা। শুধু ধূপগুড়িই নয়, ডাউকিমারি এলাকাতেও রুট মার্চ করে কেন্দ্রীয় বাহিনী। গ্রামীণ রাস্তা থেকে শহরের গুরুত্বপূর্ণ পথ, সব জায়গাতেই নজরদারি চালানো হয়। সম্ভাব্য ভোটকেন্দ্রগুলিতে গিয়ে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন জওয়ানরা। স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গেও কথা বলেন তাঁরা।

শ্রীরামপুরে রুট মার্চ, আগেই পৌঁছেছিল বাহিনী

হুগলির শ্রীরামপুরেও একই ছবি দেখা গেল। গতকাল রাতেই ডানকুনিতে পৌঁছয় কেন্দ্রীয় বাহিনী। রবিবার বিকেল থেকে শ্রীরামপুরের বিস্তীর্ণ এলাকায় শুরু হয় রুট মার্চ। চন্দননগর কমিশনারেটের এসিপি ২ জি আরবিন্দ এবং শ্রীরামপুর থানার আইসি সুখময় চক্রবর্তীর উপস্থিতিতে বাহিনী শ্রীরামপুর বাস টার্মিনাল থেকে নওগাঁর মোড় পর্যন্ত টহল দেয়।

আরও পড়ুনঃ ক্ষমতার জোরে মামলা? সুপ্রিম কোর্টের রোষে বাংলার বিচারক

ভোটের (West Bengal Election) আগে একাধিক জেলায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর এই টহল ঘিরে স্পষ্ট বার্তা দিতে চাইছে প্রশাসন। নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। সম্ভাব্য স্পর্শকাতর এলাকাগুলিতে নজরদারি চলছে। রাজ্য পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর যৌথ উপস্থিতিতে ভোটের আগে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ চলছে জেলায় জেলায়।