বাংলা হান্ট ডেস্কঃ উৎসবের দিন শেষে, মা দুর্গার এবার বাড়ি ফেরার পালা। আর দশমীর দিন দুপুর গড়াতেই একেরপর এক প্রতিমা গঙ্গার ঘাটের উদ্দেশ্যে রওনা দিতে শুরু করেছে। তবে বিসর্জনের সময় যাতে কোনোরকম দুর্ঘটনা না ঘটে তার জন্য আগে থেকেই নির্দেশিকা জারি করেছে কলকাতা পুলিশ। সেখানে নিরাপত্তা থেকে নিয়ম সবটাই জানানো হয়েছে। এমনকি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) নিজেই ঘাট পরিদর্শনে হাজির হয়েছিলেন।
বিসর্জনের আগেই ঘাট পরিদর্শনে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী
বিজয়া দশমীর দিন সকালেই বাজা কদমতলা ঘাট ও জাজেস ঘাটে উপস্থিত হয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে বিসর্জনের সময় জাত যেকোনো রকম বিপর্যয় না ঘটে তার জন্য বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করা হয়েছে রাজ্য সরকারের তরফ থেকে এমনটাই জানান।
বিসর্জনের সময় কলকাতা পুলিশের তরফ থেকে কি করণীয় আর কোনটা করা যাবে না তা নিয়ে স্পষ্ট নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। যার মধ্যে প্রথমেই রয়েছে ডিজে নিষিদ্ধ, কারণ শব্দের মাত্রা নির্দিষ্টি সীমার মধ্যে রাখতে হবে। এছাড়া বিসর্জনের সময় লাইন মেনে এগিয়ে যেতে হবে। কোনোভাবেই অযথা ভিড় করা যাবে না। এছাড়া অনেকেই নেশাগ্রস্ত অবস্থায় ঘাটে বিসর্জনের জন্য চলে আসেন, এটাও করা যাবে না।
আরও পড়ুনঃ SBI-তে সাইবার হামলা! গ্রাহকদের অ্যাকাউন্ট সুরক্ষিত তো? জানাল ব্যাঙ্ক
এদিন চোরবাগানের প্রসঙ্গ টেনে তিনি জানান, কয়েক মিনিটের ভুলের জেরে দুর্গাপুজোর সময় একটি মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে। তাই বিসর্জনের সময় কোনো ঝুঁকি নিতে নারাজ প্রশাসন। সেই কারণে কলকাতা পুলিশ থেকে শুরু করে রাজ্য প্রশাসন ও NDRF বা জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী সকলে মাইল কাজ করবে বলে জানানো হয়েছে। এমনকি প্রয়োজনে কলকাতা পোর্ট ট্রাস্ট ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সংস্থার থেকেও সাহায্য নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।
বিসর্জনের সময় একদিকে যেমন ভিড় নিয়ন্ত্রণ তেমনি পরিকল্পিতভাবে সমস্ত কাজ শেষ হওয়া থেকে শুরু করে রাজ্যবাসীর নিরাপত্তা সবটাই মাথায় রাখতে হবে। এর জন্য প্রতিটা সংস্থার মধ্যে সমন্বয় থাকা প্রয়োজন বলেও জানান তিনি। সেই হিসাবেই অভিজ্ঞ আধিকারিক যারা রয়েছেন তাঁদের সবটা দেখার দায়ভার দেওয়া হয়েছে। যাতে যে কোনো পরিস্থিতিতে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া যেতে পারে। নিরাপত্তার জন্য সাতজন সদস্যের বিএসএফ টিম মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়া NDRF এর একটি দল থাকবে।














