বাংলা হান্ট ডেস্কঃ ডিএ (Dearness Allowance) জট খুলতে মনিটরিং কমিটির বৈঠক হওয়া প্রয়োজন বলে দাবি সরকারি কর্মীদের। এদিকে সেই বৈঠক নিয়ে টালবাহানা এখনও জারি। সামনেই পুজো। সরকারি কর্মচারীরা (Government Employees) বকেয়া ডিএ (DA Arrear) পেতে শুরু করলেও গ্রান্ট ইন এইড-রা এখনও বকেয়া একটা টাকাও হাতে পাননি। এই অবস্থায় যত দ্রুত সম্ভব মনিটরিং কমিটির সঙ্গে বৈঠক চাইছে কর্মী মহল।
মনিটরিং কমিটির বৈঠক নিয়ে ধোঁয়াশা | Dearness Allowance
পশ্চিমবঙ্গের সরকারি কর্মচারীদের পঞ্চম পে কমিশন সংক্রান্ত বকেয়া ডিএ সংক্রান্ত যে বৈঠক ১২ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে হওয়ার কথা ছিল, তা ‘বিশেষ কারণে’ বাতিল হয়ে যায়। তারপর থেকে আর এই সংক্রান্ত কোনও আপডেট মেলেনি। কবে হবে মনিটরিং কমিটির বৈঠক? প্রতিক্রিয়া দিলেন সুপ্রিম কোর্টে মূল ডিএ মামলাকারী সংগঠন কনফেডারেশন অফ স্টেট গভঃ এমপ্লয়িজ।
এই বৈঠক সম্পর্কে এক ভিডিওবার্তায় কনফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক মলয় মুখোপাধ্যায় বলেন, “আমাদের সঙ্গে ইন্দু মালহোত্রা কমিটির বৈঠক ছিল। বৈঠকটা পোস্টপন হয়ে গেছে। ১২ সেপ্টেম্বর ছিল। আজ পর্যন্ত তার কোনো সংবাদ আমরা পাচ্ছি না কবে হবে কবে হবে না পুজোর আগের হবে কী হবে না। এই বার্তা আমরা এই মুহূর্তে দিতে পারছি না।”

মলয়বাবু আরও বলেন, “অনেকেই বলছে পুজোর আগে। তারা যদি জানে তো জানতে পারে। আমরা জানি না। পরিষ্কার কথা আমরা জানি না। অনলাইনে হবে না সাক্ষাতে হবে সেটাও আমরা জানি না। জানলে পরে আমরা অবশ্যই জানাব। আমরা যে বার্তাটা জানি সেটাই তুলে ধরি। আগ বাড়িয়ে আমরা কোনো বার্তা পরিবেশন করি না। কর্মচারীদের মধ্যে বিভ্রান্তি হোক সেটাই আমরা চাই না।”

আরও পড়ুন: একাদশ-দ্বাদশের শিক্ষক নিয়োগে বড় রদবদল! বাতিল পুরনো প্যানেল, নতুন তালিকা প্রকাশ SSC-র
সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী যাতে দ্রুত বৈঠক আয়োজন করা হয় সেই আর্জি জানিয়ে প্রাক্তন বিচারপতি ইন্দু মালহোত্রাকে সম্প্রতি চিঠি পাঠানো হয়েছে সরকারি কর্মচারীদের আরেক সংগঠন সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের তরফে। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, বৈঠকের জন্য সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের সমন্বয়ককেও দিল্লি যাওয়ার জন্য আগে থেকেই প্রস্তুতি নিতে হবে। তাই বৈঠকের দিনক্ষণ দ্রুত নির্ধারণ করার হোক।
পুজোর ছুটি শুরু হওয়ার আগেই যদি মনিটরিং কমিটির বৈঠকটি করা সম্ভব হয়, সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সুবিধা হবে বলেও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে এখনও পর্যন্ত বৈঠকের পরবর্তী দিনক্ষণ নিয়ে কোনও আপডেট নেই। যা নিয়ে ক্ষোভ বাড়ছে সরকারি কর্মচারীদের।













