চুঁচুড়ার মানুষের জন্য কোন পদক্ষেপ নিচ্ছেন দেবাংশু ?

Published on:

Published on:

Follow

বাংলা হান্ট ডেস্ক : বাংলার রাজনৈতিক ময়দানে এবার নতুন প্রজন্মের নেতাদের উত্থান স্পষ্ট। সেই তালিকায় অন্যতম নাম দেবাংশু ভট্টাচার্য (Debangshu Bhattacharya)। এবার বিধানসভা নির্বাচনে চুঁচুড়া কেন্দ্রে তৃণমূল (Trinamool Congress) প্রার্থী তিনি। তাঁর লড়াই ঘিরে তৈরি হয়েছে বিশেষ চৰ্চা।

তৃণমূলের প্রচার‌ প্রস্তুতি দেবাংশুর (Debangshu Bhattacharya)

আগেও লোকসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার অভিজ্ঞতা রয়েছে দেবাংশুর। যদিও সেখানে জোর হেরেছিলেন তৃণমূলের এই প্রার্থী। ফলে জনসংযোগ থেকে শুরু করে নির্বাচনী কৌশল, সবদিকেই নিজেকে তৈরি করেছেন তিনি। বর্তমানে চুঁচুড়ায় জোরকদমে প্রচার চালাচ্ছেন এই নেতা।

তমলুকের মতো কঠিন কেন্দ্র ছেড়ে এবার চুঁচুড়ায় প্রার্থী হয়েছেন তিনি। তাঁর প্রচারের মূল স্লোগান ‘হ্যাশট্যাগ নিউ চুঁচুড়া’, যা নিয়েই ভোটের ময়দানে লড়ছেন দেবাংশু। সম্প্রতি ‘নিউজ ১৮ বাংলা’-কে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে, ভোটের ময়দানে কতটা প্রস্তুত দেবাংশু, এই প্রসঙ্গে কথা বলেন।

সাক্ষাৎকারে চুঁচুড়ার তৃণমূল প্রার্থীর কথায়,”আমি শিবের ভক্ত, শিবই প্রধান দেবতা। চুচুঁড়ায় আলাদা বাড়ি নিয়ে থাকছি, কারণ মাঝরাতেও যাতে এখানকার মানুষ আমাকে কাছে পান। কারণ এখানকার মানুষ ভরসা করে আপন করে নিয়েছেন।”

রাজনৈতিক ইস্যুকে কেন্দ্র করে দেবাংশুর অভিযোগ, কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন নীতিতে সাধারণ মানুষের মধ্যে অসন্তোষ বাড়ছে। এই প্রসঙ্গে তাঁর বক্তব্য, “মানুষ আশাহত। বাংলাকে যেভাবে কেন্দ্র বঞ্চনা করছে, তা সাধারণ মানুষের কাছে দিনের আলোর মতো পরিষ্কার। SIR থেকে কেন্দ্রীয় বঞ্চনা, কেন্দ্রের বিরুদ্ধে একরাশ ক্ষোভ মানুষ উগরে দেবেন EVM-এই।”

Debangshu Bhattacharya taking steps for the people of Chunchura

আরও পড়ুন :ডিউটির পথে বিপর্যয়! লরির ধাক্কায় গুঁড়িয়ে গেল কেন্দ্রীয় বাহিনীর গাড়ি, জখম ৪ জওয়ান

দেবাংশুর হাতে অসংখ্য মন্দিরের তাগা, তিনি কি হিন্দুত্বে বিশ্বাসী প্রশ্ন উঠছে। নিজের ধর্মীয় পরিচয় নিয়ে সরাসরি ‘নিউজ ১৮ বাংলা’-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে দেবাংশু দাবি করেন, “ধর্ম আমরা প্র্যাকটিস করি, ছোটবেলা থেকে মা-ঠাকুমাকে তুলসিতলায় দুধ দিতে দেখেছি, দুর্গাপুজোয় একদিন নিরামিষ, বাকি দিন আমিষ, সরস্বতী পুজোয় গোটা সেদ্ধ.. এইগুলোয় আমাদের হিন্দুত্ব। ডিজে বাজিয়ে কানের পাশে জয়শ্রীরাম চিৎকারটায় স্বয়ং শ্রীরামচন্দ্রও বিরক্ত হন। এটা হিন্দুত্ব নয়। আমি যা করছি তা যদি হিন্দুত্বের প্রচার হয়, তাতে আমার কোনও লজ্জা নেই”। এখন দেখার, শেষ পর্যন্ত ব্যালটের লড়াইয়ে তিনি কতটা সফল হন।