ভোটের আগে বড় সিদ্ধান্ত! বাংলায় বাড়ল কেন্দ্রীয় বাহিনী, মোট সংখ্যা এখন কত জানেন?

Published on:

Published on:

Election Commission says Central forces to stay in Bengal after polls
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ সামনেই রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন। এই সময় বাংলায় যাতে কোনও অশান্তি না হয়, সেই লক্ষ্যেই বড় পদক্ষেপ নিল নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং নির্ভয়ে ভোট দেওয়ার পরিবেশ তৈরি করতে রাজ্যে আরও কেন্দ্রীয় বাহিনী পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে কমিশন মনে করছে, আগের পরিকল্পনার তুলনায় আরও শক্ত নিরাপত্তা বলয় দরকার। সেই কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

বাংলায় কেন্দ্রীয় বাহিনী বাড়াল নির্বাচন কমিশন (Election Commission)

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জানা যাচ্ছে, বাংলায় অতিরিক্ত ১৫০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী পাঠানো হচ্ছে। এর ফলে রাজ্যে মোট বাহিনীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ২৫৫০ কোম্পানি। কমিশন (Election Commission) সূত্রে জানা গেছে, এর আগে ২৪০০ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েনের পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু ভোটের দিন যত এগিয়ে আসছে, ততই পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে ফুল বেঞ্চ সেই সংখ্যা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়।

বুধবার এই নতুন নির্দেশ জারি করা হয়। রাজনৈতিক মহলের অনেকেই এই পদক্ষেপকে নজিরবিহীন বলেই মনে করছেন। এদিকে ইতিমধ্যেই রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা রুট মার্চ শুরু করে দিয়েছেন। এর মাধ্যমে সাধারণ মানুষের মধ্যে নিরাপত্তার বার্তা পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা চলছে।

তবে এখানেই থেমে থাকতে চাইছে না কমিশন (Election Commission)। পরিস্থিতি অনুযায়ী ভবিষ্যতে আরও বাহিনী বাড়ানো হতে পারে বলেও স্পষ্ট ইঙ্গিত মিলেছে। কমিশনের স্পষ্ট বার্তা শান্তিপূর্ণ ভোট করাতে কোনও ঝুঁকি নেওয়া হবে না।

Central Forces Begin Route March Across West Bengal Election

আরও পড়ুনঃ ‘তৃণমূলের অত্যাচার সহ্য করতে পারছে না’ ঘাস শিবির থেকে কর্মীদের দলবদল প্রসঙ্গে শুভেন্দু

উল্লেখ্য, এবার বাংলায় দুই দফায় ভোটগ্রহণ হবে। ২৩ এপ্রিল উত্তরবঙ্গ এবং পশ্চিমাঞ্চলের বেশ কিছু এলাকায় ভোট হবে। অন্যদিকে ২৯ এপ্রিল দক্ষিণবঙ্গের বাকি অংশে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হবে। এরপর ৪ মে ফল ঘোষণা করা হবে। ভোটের দিন যত এগোচ্ছে, ততই রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। শাসক ও বিরোধী, দুই পক্ষই জোরকদমে প্রচারে নেমেছে। এই আবহেই নিরাপত্তা জোরদার করতে কমিশনের (Election Commission) এই পদক্ষেপ যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।