SIR নিয়ে আরও কড়া নির্বাচন কমিশন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করতে না পারলে ‘শাস্তি’ বরাদ্দ

Published on:

Published on:

Election Commission is taking a tough stance on SIR
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্ক: এসআইআর (SIR) নিয়ে আরও কড়া হলো নির্বাচন কমিশন। রাজ্য প্রশাসনকে সময়সীমা বেঁধে দিল কমিশন। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার (Chief Election Commissioner Gyanesh Kumar) স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন কাজের ক্ষেত্রে আর ঢিলেমি বরদাস্ত করা হবে না।

এসআইআর (SIR) নিয়ে আরও কড়া নির্বাচন কমিশন

শুক্রবার এসআইআর সংক্রান্ত একটি ভার্চুয়াল মিটিং হয়েছে। এই বৈঠকের মূল বিষয় ছিল উত্তর এবং দক্ষিণ, এই দুই ২৪ পরগনাকে কেন্দ্র করে কাজের গতি প্রকৃতি নির্ধারণ। এই দুই জেলা নিয়ে যে কমিশন অসন্তুষ্ট তা আগেও বোঝা গেছে। স্পেশাল অবজার্ভার সুব্রত গুপ্ত বলেছেন যেহেতু শুনানি পর্ব এখনও চলছে, তাই নতুন করে নথি জমা দিতে পারবে সংশ্লিষ্ট ভোটাররা।

কমিশন বারবার করেই নির্দিষ্ট সময় অনুযায়ী নথি আপলোড করার উপর জোর দিচ্ছে। কারণ কমিশনের নির্দেশিত নথি আপলোড হলে তারপরই পরবর্তী পদক্ষেপ জানানো হবে। বিএলআরও, ইআরও, এইচআরও দেরও আরো সতর্কভাবে কাজ করার নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। যারা স্পেশাল অবজার্ভার হয়ে এসেছেন তাদেরও বারবার করে সতর্ক করছে নির্বাচন কমিশন, যাতে কাজে কোনও ভুল বা গাফিলতি না হয়।

বাংলায় সামগ্রিক ভাবে এসআইআর এর কাজে গতি থাকলেও দুই চব্বিশ পরগনা কে নিয়ে খুবই অসন্তুষ্ট ও সন্ধিগ্ধ নির্বাচন কমিশন। কারণ এই দুই জেলায় সময় মত কাজ শেষ হয়নি। সারা বাংলায় কাজের গতি নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন। কিন্তু এই দুই জেলাকে সতর্ক করে বলা হয়েছে সময়মতো কাজ শেষ না হলে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে নির্বাচন কমিশন।

আরও পড়ুন:ফোস্কা পড়া গরম আসছে ফেব্রুয়ারির শেষ থেকেই, সঙ্গে থাকবে এল নিনো

Election Commission is taking a tough stance on SIR

আরও পড়ুন:চাষিদের অ্যাকাউন্টে ঢুকছে টাকা! বাংলা শস্য বীমায় ২.৩৫ লক্ষ কৃষকের জন্য ৮০ কোটির ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

যে ভার্চুয়াল মিটিং হয়েছে নির্বাচন কমিশনের, তাতে জানানো হয়েছে ফেব্রুয়ারি মাসের এক তারিখের মধ্যে শুনানিতে ডাকা সমস্ত ভোটারদের হাতে নোটিশ পৌঁছানোটা বাধ্যতামূলক। রাজ্যের নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল এর কাছে নির্বাচন কমিশনার জানতে চান নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শুনানি শেষ করা সম্ভব কিনা। কমিশন সূত্রে খবর এই কথার উত্তরে তিনি জানিয়েছেন কয়েকটি জেলার শুনানি সময়সীমার মধ্যে নাও হতে পারে। তাই নির্বাচন কমিশন সতর্কতার সঙ্গে এগোতে চাইছে। কাজে গাফিলতি ভুলত্রুটি হলে পদক্ষেপ নেবে কমিশন এবং নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যেই কাজ শেষ করতে হবে, সেটাও কড়া ভাষায় ব্যক্ত করেছে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার।