বাংলা হান্ট ডেস্কঃ ভোটের দিন ঘোষণা এখন সময়ের অপেক্ষা। তার আগেই রাজ্যে আসছে নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) শীর্ষ দল। প্রস্তুতি ঠিকঠাক হচ্ছে কি না, কোথাও কোনও ফাঁক রয়ে গেছে কি না সবটাই খতিয়ে দেখতে একের পর এক বৈঠক চলছে।
রাজ্যে আসছেন নির্বাচনী কমিশনের (Election Commission) নেতৃত্বাধীন দল
আগামী ৯ তারিখ রাজ্যে আসছেন জাতীয় মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের নেতৃত্বাধীন দল। ১০ তারিখ বড় বৈঠক হবে। সেই বৈঠকের পরেই ভোট ঘোষণা হতে পারে বলে জানা গিয়েছে। তবে তার আগেই সোমবার আরেকটি প্রস্তুতি বৈঠক হয়েছে। সেখানে রাজ্য প্রশাসনের কিছু শীর্ষ কর্তা উপস্থিত ছিলেন। সেই বৈঠক থেকে কমিশনের (Election Commission) স্পষ্ট নির্দেশ কেন্দ্রীয় বাহিনী যেন কোনও ধরনের আতিথেয়তা গ্রহণ না করে। ভোটের সময় নিরপেক্ষতা বজায় রাখতেই এই কড়া বার্তা।
বিশেষ রোল পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্ত জানিয়েছেন, আগামী ৬ মার্চ ঝাড়গ্রাম ও ওড়িশা থেকে একশো জন করে মোট দু’শো জন জুডিশিয়াল অফিসার আসছেন। যেখানে বিচারাধীন মামলা বেশি, সেখানে বেশি সংখ্যায় অফিসার মোতায়েন করা হবে।
এদিন হাইকোর্টে একটি ভার্চুয়াল বৈঠকও হয়। সেখান থেকেই বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কমিশন (Election Commission) সূত্রে জানা গিয়েছে, অনেক বুথের প্রস্তুতি এখনও সন্তোষজনক নয়। কোথাও পানীয় জলের ব্যবস্থা নেই, কোথাও বিদ্যুৎ নেই। তাই সব বুথের অবস্থা ভালো করে খতিয়ে দেখে ফুল বেঞ্চের সামনে রিপোর্ট জমা দিতে হবে।

আরও পড়ুনঃ যুবসাথীতে আপনার ১৫০০ টাকা ঢুকবে তো? এখনই চেক করুন স্ট্যাটাস, কীভাবে? জানুন…
ভার্চুয়াল বৈঠকে আরও একটি বিষয় উঠে এসেছে এক দফায় ভোট করা সম্ভব নয়। অর্থাৎ একাধিক দফাতেই ভোট হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। এছাড়া ঠিক হয়েছে, RO, DEO এবং CEO অফিসে বসে বিভিন্ন সরকারি দপ্তর থেকে কর্মী নেওয়া হবে। তাঁরা চার ঘণ্টা করে প্রতি শিফটে ওয়েব কাস্ট দেখবেন এবং নজরদারি চালাবেন। সব মিলিয়ে স্পষ্ট, ভোট ঘোষণার আগে কোনও ঝুঁকি নিতে চাইছে না কমিশন (Election Commission)। বুথের প্রস্তুতি থেকে বাহিনীর আচরণ, সব কিছুতেই এবার কড়া নজর রাখা হচ্ছে।












