রক্ষণশীলতাকে থোড়াই কেয়ার! গোটা বিশ্বকে তাক লাগাচ্ছে পাক হিন্দু কন্যা তুলসী, কী এমন করলেন?

বাংলাহান্ট ডেস্ক : খেলার দুনিয়ায় আজকাল খবরের শিরোনামে উঠে এসেছে একটা নাম, তুলসী মেঘওয়ার। পাকিস্তানের বাসিন্দা হিন্দু সম্প্রদায়ের এই কন্যা মাত্র ২১ বছর বয়সে সাফল্যের মুখ দেখার পরেই রীতিমতো চর্চা শুরু হয়ে গিয়েছে। সফটবল এবং বেসবলের জাতীয় চ্যাম্পিয়ন এবং ক্রীড়া জগতে এক বিশেষ পারদর্শীতার চিহ্ন রেখেছে এই তুলসী।

   

আজকের প্রতিবেদনে তুলসীর এই অসামান্য দক্ষতা আর সেই সঙ্গে সঙ্গে খেলার ময়দানে তার শুরুর দিনগুলো নিয়েই আলোচনা করা যাক। বলা বাহুল্য, সোনা সহ বহু পদক জিতে নেওয়া তুলসী কয়েক বছর আগেও জানতেন না যে সফটবল বা বেসবল একটি খেলা। এখন, স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, তাহলে কীভাবে সফটবল আর বেসবলের সঙ্গে যুক্ত হল তার নাম ?

pic 28 1024x576

স্কুলের সময় থেকেই খেলাধুলার প্রতি তুলসীর আগ্রহ বেড়ে যায়। জানা গিয়েছে, ২০১৬ সালে স্কুলের একটি ক্রীড়া শিবিরে অংশ নিয়েছিলেন। তখন তিনি ষষ্ঠ শ্রেণীতে পড়তেন। সেই সময়েই তিনি এই খেলাগুলোর বিষয়ে বিস্তারিত জানতে পারেন। এখন পর্যন্ত তুলসী ছয়বার জাতীয় গেমস এবং তিনবার এশিয়ান গেমস খেলেছেন। এখন তিনি অবশ্য আন্তর্জাতিক স্তরে খেলতে চান।

আরোও পড়ুন : Aadhaar নিয়ে বড় স্বস্তি দিল UIDAI, বিনামূল্যে আধার আপডেটের মেয়াদ বৃদ্ধি! এল নতুন তারিখ

সূত্রের খবর, তুলসীর জন্ম সিন্ধু প্রদেশের কোটরির সাধু পারো এলাকায়। তুলসীর বাবা হারজি লাল একজন সাংবাদিক এবং একটি সিন্ধি সংবাদপত্রে কাজ করেন। এক সংবাদমাধ্যমের সাথে কথা বলার সময় তিনি বলেন, “মেঘওয়ার সম্প্রদায় এবং আমার বাড়ির অনেক লোক আমার মেয়েদের পড়ানোর বিষয়টিতে আপত্তি করেছিল, কিন্তু আমি মেয়েদের পড়াশুনো করাতে থাকি।”

65796aa7b0ac4 tulsi meghwar 132555960 16x9

তুলসীর কথায়, “অনেক লোক ছিল যারা তার খেলা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিল। আমি তার কথা এক কান দিয়ে শুনতাম আর অন্য কান দিয়ে বের করে দিতাম। আমার মনোযোগ আন্তর্জাতিক পর্যায়ে খেলা।” পাশাপাশি তাদের অনুশীলনের জন্য এমন কোনো মাঠ নেই যেখানে মেয়েরা স্বাচ্ছন্দ্যে অনুশীলন করতে পারে বলেও আক্ষেপ প্রকাশ করেন এই বিখ্যাত প্লেয়ার।

সম্পর্কিত খবর