টাইমলাইনভারত

হিন্দু হয়ে অজান্তে অন্য ধর্মের ছেলের সাথে প্রেম! অবশেষে করুণ পরিণতি হল যুবতীর

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ মধ্যপ্রদেশের রাজধানী ভোপাল থেকে লাভ জিহাদের এক চাঞ্চল্যকর মামলা সামনে এসেছে। সেখানে লাভ জিহাদের শিকার এক ২৬ বছর বয়সী যুবতী গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। মরার আগে একটি সুইসাইড নোটও লিখেছিল সে। সেই সুইসাইড নোটে লেখা ছিল, ‘আমার নাম পূজা। আমি আত্মহত্যা করছি। আমার মৃত্যুর জন্য দায়ি খলিক খানের ছেলে আদিল খান।” এই সুইসাইড নোটে পূজা অভিযুক্তের নাম, মোবাইল নম্বর আর ঠিকানা লিখে গিয়েছে।

পূজার পরিবার জানায় যে, আদিল খান পরিচয় গোপন করে তাঁদের মেয়ের সাথে বন্ধুত্ব করে। তাঁরা প্রায় ৮ বছর ধরে ভালো বন্ধু। পূজার ভাই রাহুল বলে, শুক্রবার বিকেলে পূজা নিজের রুমে চলে যায় আর ভিতর থেকে দরজা বন্ধ করে দেয়। তখন বাড়িতে সবাই ছিল। মা দরজায় ধাক্কাও দেউ, কিন্তু পূজা দরজা খোলে না। কোনও অপ্রীতিকর ঘটনার আশঙ্কায় দরজা ভেঙে ফেলার পর দেখা যায় যে পূজা ফাঁসিতে ঝুলছে।

 

রাহুলও আদিল খানকে নিজের বোনের মৃত্যুর জন্য দায়ি করেছে। রাহুল জানায় আদিলের সাথে পূজা প্রায় ৮ বছর আগে সাক্ষাৎ করেছিল। আর তখন আদিল নিজেকে হিন্দু বলে পরিচয় দেয়। দুজনের মধ্যে ভালো বন্ধুত্ব হয়ে যায়। রাহুল পুলিশকে জানায়, আদিল তাঁর বোন পূজাকে লাগাতার মুসলিম হওয়ার জন্য চাপ দিচ্ছিল। তাকে মারধোরও করত আদিল। পূজা ধর্ম পরিবর্তন করবে না বলে জানালে আদিল অন্য মেয়ের সাথে বাগদান সেরে ফেলে। আর পূজা সেটা সহ্য করতে না পেরে আত্মঘাতী হয়।

পুলিশ পূজার সুইসাইড নোট আর পরিবারের বয়ানের ভিত্তিতে আদিল খানের বিরুদ্ধে আত্মহত্যার প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ এনে মামলা দায়ের করে। মধ্যপ্রদেশে লাভ জিহাদের বিরুদ্ধে পেশ করা আইনের পর এটাই প্রথম মামলা। এই আইনে লাভ জিহাদিদের কড়া শাস্তির নিদান দেওয়া হয়েছে। মধ্যপ্রদেশে লাভ জিহাদিদের ৫ থেকে ১০ বছর সাজার কথা বলা হয়েছে এই আইনে।

Back to top button