বাংলা হান্ট ডেস্ক:আজকের দিনে সকলেই প্রায় স্মার্টফোন ব্যবহার করে থাকে। দৈনন্দিন জীবনে স্মার্টফোন ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে গেছে। কিন্তু অনেকেই জানেন না যে স্মার্টফোনেরও একটা সময় সীমা থাকে। সেই সময়সীমা পেরিয়ে গেলে, ফোন নষ্ট না হলেও তার নিরাপত্তা কিন্তু দুর্বল হয়ে পড়ে আর সাইবার অপরাধীরা (Cyber Crime) নিয়ে থাকে সেই সুযোগটাই। জেনে নেব কীভাবে হ্যাকাররা ব্যবহার করছে এই পুরনো স্মার্টফোনগুলিকে হ্যাকিংয়ের (Smart Phone Hacking) জন্য।
হ্যাকাররা ব্যবহার করছে পুরনো স্মার্টফোনগুলিকে হ্যাকিংয়ের (Smart Phone Hacking) জন্য
যখন কোম্পানি থেকে নতুন স্মার্টফোন লঞ্চ করা হয়, তখন কত বছর সফটওয়্যার এবং সিকিউরিটি আপডেট দেওয়া হবে সেটা সংস্থা গুলি থেকে জানানো হয়। সাধারণত এই সময়ের মধ্যে যে নতুন ফিচার গুলি দেওয়া হয়, তার সাথে দেওয়া হয় সিকিউরিটি প্যাচ যা আপনার স্মার্ট ফোনকে হ্যাকিং এর হাত থেকে রক্ষা করে এবং ভাইরাসের হাত থেকেও রক্ষা করে। মূলত সংস্থাগুলি ৫/৭ বছর পর্যন্ত এই আপডেট দিয়ে থাকে।
নির্দিষ্ট সময়সীমা পেরিয়ে যাওয়ার পর আপডেট আসা বন্ধ হয়। তখন ফোনে কিন্তু নতুন সিকিউরিটি আর যোগ করা যায় না আর এই সুযোগটাই নিয়ে থাকে হ্যাকাররা সহজে ফোন হ্যাক করার জন্য। এই সময় যদি সিস্টেমে কোনরকম দুর্বলতা থাকে, তা ঠিক করারও আর কোনও সুযোগ থাকে না।
আরও পড়ুন:“অনুমতি ছাড়া দেশ ছাড়ব না”, ব্যাঙ্ক প্রতারণা মামলায় সুপ্রিম কোর্টে হলফনামা অনিল আম্বানির
এখন ফোন নাম্বার ব্যাংক, আধার, ভোটার কার্ড সমস্ত কিছুর সঙ্গে যুক্ত। ফলে একবার যদি ফোন হ্যাক হয় তাহলে সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ নথি হ্যাকারদের নাগালে চলে যাবে। সে ক্ষেত্রে ওটিপি এবং ব্যক্তিগত ছবি, সেগুলিও হ্যাকারদের হাতে গিয়ে পড়বে। আর্থিক ক্ষতিও যে হতে পারে তা বলা বাহুল্য। কারণ ওই ফোন নাম্বারের মাধ্যমে ব্যাংকের ওটিপি, আপনার অ্যাকাউন্টের ডিটেলস সমস্ত কিছুই হ্যাকারদের হাতে চলে যাবে।
আরও পড়ুন:CPM-এ ‘ভয়ের পরিবেশ’! মহম্মদ সেলিমকে ‘গব্বর সিং’-এর সঙ্গে তুলনা করে আক্রমণ শানালেন প্রতীক-উর

তাই যখনই দেখবেন ফোনে সিকিউরিটি আপডেট আর আসছে না, তখনই ফোন বদলাবার কথা ভাবুন। কারণ ফোন আপডেট হওয়া মানে বাড়তি সুরক্ষা পাবেন। সে ক্ষেত্রে নিজের নথি, আর্থিক দিক ইত্যাদি সুরক্ষিত করার জন্য আপডেট থাকা ফোন ব্যবহার করা উচিত। তাই যখনই ফোন এক্সপায়ার কথাটা শুনবেন, তখন অবাক না হয়ে বরং নতুন ডিভাইস নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিন।













