বাংলাহান্ট ডেস্ক : সময় যত এগিয়েছে ততই ভারতের দিকে-দিকে গজিয়ে উঠেছে একের পর এক সরকারি-বেসরকারি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ। তবে দশকের পর দশক ধরে পড়ুয়াদের মধ্যে দেশের আইআইটি কলেজগুলির জনপ্রিয়তা আজও অটুট। বহু মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীর স্বপ্ন থাকে আইআইটি ইনস্টিটিউশনে পড়াশোনা করে সাফল্যের (Success Story) পথে এগিয়ে যাওয়ার।
সর্বেশের সাফল্যের কাহিনি (Success Story)
তবে আইআইটির প্রবেশিকা পরীক্ষা জেইই মেইনস এবং জেইই অ্যাডভান্সড ক্লিয়ার করা মোটেও মুখের কথা নয়। তাসত্ত্বেও দেশের (India) অন্যতম কঠিন পরীক্ষা বলে বিবেচিত জেইই মেইনস এবং জেইই অ্যাডভান্সডে প্রথম চেষ্টাতেই সাড়া ফেলে দিয়েছিলেন সর্বেশ মেহতানি। গোটা দেশে পয়লা নম্বর স্থান অর্জন করেছিলেন।
আরও পড়ুন : মোদির ‘কড়া জবাব’কে থোড়াই কেয়ার ইউনূসের! হাসিমুখে চালিয়ে গেলেন ফটোসেশন, দিলেন গিফট্ও
২০১৭ সালে প্রথমবারের জন্য পরীক্ষায় বসে JEE অ্যাডভান্সডে সর্বেশ অর্জন করেন ৩৩৯ নম্বর। সমগ্র ভারতে পান AIR ১ স্থান। প্রথমবারের চেষ্টাতেই JEE অ্যাডভান্সডে টপার হয়ে সর্বেশ মেহতানি তৈরি করে ফেলেন নয়া দৃষ্টান্ত। চণ্ডীগড়ের বাসিন্দা সর্বেশ ছোটবেলা থেকেই পড়াশুনায় ছিলেন তুখোড়। সর্বেশের শিক্ষাজীবনও কেটেছে চন্ডীগড়ে।
আরও পড়ুন : একই সাথে চাকরিহারা ছেলে-বৌমা! কষ্ট সহ্য না করতে পেরে মৃত্যু মায়ের, সরকারের দিকে আঙ্গুল পরিবারের
সর্বেশের বাবা পরবেশ মেহতানি আয়কর বিভাগের কর্মকর্তা। মা রাজ বালা হরিয়ানার শিল্প প্রশিক্ষণ বিভাগের কর্মী। ছোটবেলায় অত্যন্ত মেধাবী ছাত্র হিসেবেই স্কুলে পরিচিত ছিলেন সর্বেশ। দশম শ্রেণীতে ১০ সিজিপিএ এবং দ্বাদশ শ্রেণীতে ৯৫.৪% নম্বর নিয়ে উত্তীর্ণ হন এই মেধাবী ছাত্র। সর্বেশের কথায়, স্কুলে পড়ার সময় থেকেই আইআইটিতে ভর্তি হওয়ার স্বপ্ন দেখতেন তিনি। সেই মতো নিতেন প্রস্তুতি। অবসর সময় কাটত গান শুনে, কার্টুন দেখে বা ব্যাডমিন্টন খেলে।
সর্বেশের মা একবার একটি সাক্ষাৎকারে জানিয়েছিলেন, সর্বেশ কখনওই পড়াশোনাকে অতিরিক্ত বোঝা হিসেবে দেখেনি। ভালোবেসে পড়াশোনা করেছে সে। মেধাবী এই ছাত্রের বাবা-মার কথায়, স্কুল জীবন থেকে একটি অভ্যাস ছিল সর্বেশের। প্রতিদিন রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে সম্পূর্ণ পাঠ্যক্রম একবার ঝালিয়ে নিতেন সর্বেশ। বাবা-মার মতে, এই অভ্যাস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে সর্বেশের সাফল্যের (Success Story) নেপথ্যে।