আর মিলবে না ট্রেনের টিকিট, বন্ধ হয়ে গেল কলকাতার এই বুকিং অফিস! সিদ্ধান্ত রেলের

   

বাংলাহান্ট ডেস্ক : ট্রেনের যাত্রীদের জন্য দুঃসংবাদ নিয়ে এলো ভারতীয় রেল (Indian Railways) কর্তৃপক্ষ। দূরপাল্লার টিকিট কাটতে যাত্রীরা যে সমস্যার সম্মুখীন হন তা আরো কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিল রেল কারণ এবার দক্ষিণ-পূর্ব রেলের একটি বুকিং অফিস বন্ধ করে দেওয়া হল। তার ফলে যাত্রীদের কপালে আরো চিন্তার ভাঁজ পড়ল।

সূত্রের খবর, কলকাতার একটি রিজার্ভেশন অফিস বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিল দক্ষিণ পূর্ব রেল। বিজ্ঞপ্তি জারি করে বলা হয়েছে 1 সেপ্টেম্বর থেকে ওল্ড কয়লাঘাটার রিজার্ভেশন অফিস বন্ধ করা হচ্ছে। বর্তমানে কলকাতায় দক্ষিণ পূর্ব রেলের 4টি রিজার্ভেশন অফিস রয়েছে। রবীন্দ্র সদন, গার্জেনরিচ ও মেটিয়াবুরুজ ও কয়লাঘাটাতে।

জানা গিয়েছে, ওল্ড কয়লাঘাটার এই রিজার্ভেশন অফিসটি রয়েছে পূর্ব রেলের এক্তিয়ারভুক্ত জায়গায়। তবে রেল আধিকারিকরা জানিয়েছেন, বর্তমানে অনলাইনে টিকিট কাটার প্রবণতা অনেক বেড়েছে বলে এই রিজার্ভেশন কাউন্টারটিকে বন্ধ করা হচ্ছে। উল্লেখ্য, বিজ্ঞপ্তিতে দক্ষিণ পূর্ব রেল জানিয়েছে, একটি কাউন্টার বন্ধ হলেও অন্য PRS কাউন্টারগুলো কিন্তু আগের মতোই খোলা থাকছে।

আরোও পড়ুন : এবার সুন্দরবনে আরও বেশি চমক, পর্যটকদের জন্য বিরাট ঘোষণা বন দফতরের! গেলেই হয়ে যাবে মন খুশ

এই কাউন্টারগুলো সকাল 8টা থেকে দুপুর 2 টো ও দুপুর 2 টো থেকে রাত 8টা পর্যন্ত খোলা থাকছে । উল্লেখ্য, যে ব্যক্তিরা অনলাইনে টিকিট কাটতে সড়গড় নয়, তাঁদের জন্য আজও PRS কাউন্টারগুলো অন্যতম বিকল্প। কারণ PRS বুকিং কাউন্টার গুলোর থেকে পাওয়া ফর্ম ফিলআপ করে জমা দেওয়ার পর কাউন্টারে থাকা রেলের আধিকারিক সিট কতটা ফাঁকা রয়েছে, তা দেখে বুকিং কনফার্ম করে।

আরোও পড়ুন : কাটল জট! উচ্চ প্রাথমিকে নিয়োগ হবে ১৪ হাজারেরও বেশি! মেধাতালিকা প্রকাশের দিন ঘোষণা শিক্ষামন্ত্রীর

যাত্রীর কাছ থেকে টিকিটের টাকা তখনই সংগ্রহ করা হয় ও যাত্রীকে টিকিটের কাগজ দেওয়া হয়। আবার কোনও যাত্রী যদি টিকিট বাতিল করতে চান, এক্ষেত্রেও ওই পিআরএস কাউন্টারে গিয়ে যাত্রীকে একটি ক্যান্সেলেশন ফর্ম ফিলআপ করতে হয় । এক্ষেত্রে PRS কাউন্টার থেকে বাতিল হওয়া টিকিটের টাকা ফেরত পাওয়া যায়।

54 big

মূলত পিআরএস কাউন্টাররের উপর থেকে চাপ কমাতেই অনলাইনে টিকিট বুকিং সিস্টেম চালু করে রেল। কারণ পিআরএস কাউন্টার থেকে প্রতি দিন 15 লাখের লেনদেন যেমন হয় তেমনি পুজোর মরশুমে সেটা আরও বৃদ্ধি পায়। তাই সমস্ত দিক ভেবে চিন্তে রেলের তরফ থেকে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও দক্ষিণ পূর্ব রেলের এই সিদ্ধান্তে অবশ্য ক্ষুব্ধ রেল প্রেমীরা।

 

 

Avatar
Soumita

আমি সৌমিতা। বিগত ৩ বছর ধরে কর্মরত ডিজিটাল সংবাদমাধ্যমে। রাজনীতি থেকে শুরু করে ভ্রমণ, ভাইরাল তথ্য থেকে শুরু করে বিনোদন, পাঠকের কাছে নির্ভুল খবর পৌঁছে দেওয়াই আমার একমাত্র লক্ষ্য।

সম্পর্কিত খবর