বাংলা হান্ট ডেস্কঃ দুর্গাপুজোর সময় নানা বিজ্ঞাপনে (Puja Advertisement) ছেয়ে যায় শহর। পুজো মিটতেই সেগুলি সরাতে তৎপর কলকাতা পুরসভা (Kolkata Municipal Corporation)। বুধবারের মধ্যে যাবতীয় অস্থায়ী বিজ্ঞাপন ও সেগুলি লাগাতে তৈরি বাঁশের কাঠামো সরিয়ে ফেলতে বলা হয়েছে। নাহলে জরিমানার পাশাপাশি পুরসভার উদ্যোগে বিজ্ঞাপন সরানোর খরচও পুজো উদ্যোক্তা ও বিজ্ঞাপন সংস্থার থেকে আদায় করা হবে।
পুজোর বিজ্ঞাপন নিয়ে কড়াকড়ি কলকাতা পুরসভার | (Kolkata Municipal Corporation)
বুধবারের ডেডলাইন বেঁধে পুজো উদ্যোক্তা ও বিজ্ঞাপন সংস্থাগুলিকে শহরের রাস্তা থেকে পুজো বিজ্ঞাপনের ব্যানার, হোর্ডিং, ফ্লেক্স সরানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, এই সময়ের মধ্যে এগুলি না সরালে বিজ্ঞাপনের নির্ধারিত হারের অন্তত তিন গুণ অবধি জরিমানা হতে পারে।
আরও পড়ুনঃ অর্ণবের দাপটে কলকাতার হাওয়া বদল! দক্ষিণবঙ্গের ৪ জেলায় ভারী বৃষ্টির অ্যালার্ট, আবহাওয়ার আপডেট
এদিকে ইতিমধ্যেই শ্যামবাজার, মানিকতলা, খান্না, ইএম বাইপাস, মৌলালি, গড়িয়া ও পাটুলি এলাকার কয়েকটি জায়গা থেকে বিজ্ঞাপন সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তবে স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, যাদবপুর, টালিগঞ্জ, ঢাকুরিয়া, গোলপার্ক ও বেহালার অনেক জায়গায় এখনও অনেক হোর্ডিং রয়েছে। এবার সেসবগুলিই সরানোর নির্দেশ দেওয়া হল।
কলকাতা পুরসভার এই পদক্ষেপ নিয়ে পুরসভার বিজ্ঞাপন বিভাগের এক আধিকারিকের আশা, এর মাধ্যমে পুজো পরবর্তী সময়ে শহরের রাস্তা পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখা সম্ভব হবে। পাশাপাশি অস্থায়ী বিজ্ঞাপন থেকে তৈরি হওয়া সমস্যাও কমানো যাবে।
প্রত্যেক বছর পুজো মিটে যাওয়ার পর দীর্ঘদিন ধরে কলকাতার নানা রাস্তায় পুজো বিজ্ঞাপনগুলি পড়ে থাকতে দেখা যায়। অনেক জায়গায় মাসের পর মাস থাকে অস্থায়ী কাঠামো। এর ফলে একদিকে যেমন শহরের সৌন্দর্য নষ্ট হয়, তেমনই যানবাহন ও পথচারীদের চলাচলেও সমস্যা তৈরি হয়। পাশাপাশি বৃষ্টি বা প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে ওই কাঠামো ভেঙে পড়লে দুর্ঘটনার আশঙ্কাও থাকে।

সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, এবারের পুজোয় বিজ্ঞাপন দিতে পুরসভার কাছ থেকে এনওসি নিতে হয়েছে পুজো উদ্যোক্তাদের। কোথায়, কোন কমিটি বিজ্ঞাপন লাগিয়েছে, সেই তথ্যও পুরসভার কাছে আছে। ফলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিজ্ঞাপন না সরালে সহজেই সংশ্লিষ্ট পুজো উদ্যোক্তা বা সংস্থাকে চিহ্নিত করা যাবে।
কলকাতা পুরসভার তরফ থেকে আজকের মধ্যে যাবতীয় অস্থায়ী পুজো বিজ্ঞাপন ও সেগুলি লাগানোর জন্য তৈরি বাঁশের কাঠামো সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কর্তৃপক্ষের বেঁধে দেওয়া ডেডলাইনের মধ্যে না সরালে নেওয়া হবে কড়া পদক্ষেপ।














