রাতের অন্ধকারে ছেঁড়া হল দেবাংশুর…! নেপথ্যে কে? ভোটের মুখে তোলপাড় নন্দীগ্রাম

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ চব্বিশের লোকসভা নির্বাচনে যুব নেতা দেবাংশু ভট্টাচার্যের (Debangshu Bhattacharya) ওপর আস্থা রেখেছে তৃণমূল শিবির। ‘অধিকারী গড়’ হিসেবে খ্যাত তমলুক থেকে টিকিট দেওয়া হয়েছে তাঁকে। ইতিমধ্যেই প্রচার শুরু করে দিয়েছেন জোড়াফুল প্রার্থী। তবে এবার ভোটের মুখে আচমকাই ছেঁড়া হল তাঁর ফ্লেক্স। ঘটনাটি ঘটেছে খাস নন্দীগ্রামে (Nandigram)।

   

দেবাংশুর নির্বাচনী (Lok Sabha Election) প্রচারের জন্য নন্দীগ্রামের বিরুলিয়া-২ ব্লক এলাকায় একটি ফ্লেক্স (Flex) লাগানো হয়েছিল। শনিবার সকালে দেখা যায়, সেই ফ্লেক্সের ওপরের কিছুটা অংশ ছিঁড়ে ফেলা হয়েছে। রাতের অন্ধকারে এই ঘটনা ঘটানো হয়েছে বলে অনুমান। আজ সকালে বিষয়টি নজরে পড়তেই শোরগোল পড়ে যায়।

নন্দীগ্রাম এলাকায় দেবাংশুর ফ্লেক্স ছেঁড়ার পিছনে রাজনৈতিক অভিসন্ধি থাকতে পারে বলে অনুমান করছে তৃণমূল (TMC) শিবির। তবে বিজেপির দাবি, অন্য কোনও দলের তরফ থেকে এই কাজ করা হয়নি। বরং জোড়াফুল শিবিরের গোষ্ঠীকোন্দলের ফল এটা!

আরও পড়ুনঃ ভূপতিনগর বিস্ফোরণ মামলায় এই ৮ তৃণমূল নেতাকে তলব NIA-র! নাম সামনে আসতেই শোরগোল

নন্দীগ্রাম ৫ মণ্ডল সাধারণ সম্পাদক (বিজেপি) দিলীপকুমার পাল এই প্রসঙ্গে বলেন, ‘গোষ্ঠীকোন্দলের কারণে দলটা একেবারে জেরবার। এই গোষ্ঠী পোস্টার সাঁটাচ্ছে, অন্য গোষ্ঠী গিয়ে সেই পোস্টার ছিঁড়ে দিচ্ছে। এর নেপথ্যে বিজেপি নেই। দেওয়াল লিখন মুছে দেওয়া কিংবা পোস্টার ছেঁড়ার মতো রাজনীতি আমাদের দল করে না’।

প্রসঙ্গত, আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে যে কেন্দ্রগুলির দিকে রাজ্যবাসীর নজর থাকতে তার মধ্যে অন্যতম তমলুক। ষষ্ট দফায় অর্থাৎ আগামী ২৫ মে ভোটগ্রহণ হবে এই কেন্দ্রে। ‘অধিকারী গড়ে’ তৃণমূলের (Trinamool Congress) তুরুপের তাস যুব নেতা দেবাংশু। ব্রিগেডের জনগর্জন সভা থেকে নাম ঘোষণার পরেই কোমর বেঁধে প্রচারে নেমে পড়েছেন তিনি।

debangshu bhattacharya tmc

অন্যদিকে বিজেপির তরফ থেকে দাঁড় করানো হয়েছে কলকাতা হাই কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়কে। আদালতের কক্ষ ছেড়ে এবার জনতার দরবারে হাজির হয়েছেন তিনি। বামেরা আবার টিকিট দিয়েছে তরুণ নেতা তথা আইনজীবী সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায়কে। তিন হেভিওয়েট প্রার্থীর এই নির্বাচনী লড়াইয়ে শেষ হাসি কে হাসবে সেদিকে নজর থাকবে সকলের।

Sneha Paul
Sneha Paul

স্নেহা পাল, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তরের পর সাংবাদিকতা শুরু। বিগত প্রায় ২ বছর ধরে বাংলা হান্ট-এর কনটেন্ট রাইটার হিসেবে নিযুক্ত।

সম্পর্কিত খবর