অনুপ্রবেশ রুখতে বড় পদক্ষেপ, লালগোলার হোল্ডিং সেন্টারে পাঠানো হল ৩ বাংলাদেশিকে

Published on:

Published on:

Major step to prevent infiltration, 3 immigrators sent to Lalgola holding centre
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্ক : বাংলায় বেআইনি অনুপ্রবেশ রুখতে এবার আরও কড়া প্রশাসন। নবান্নের তরফে জেলায় জেলায় ‘হোল্ডিং সেন্টার’ (Holding Centre) তৈরির নির্দেশ জারি হওয়ার মাত্র একদিনের মধ্যেই মুর্শিদাবাদে ধরা পড়ল তিন বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী। নতুন সরকারি নির্দেশিকা মেনে তাঁদের আর জেলে না পাঠিয়ে রাখা হল বিশেষ হোল্ডিং সেন্টারে। প্রশাসনের এই পদক্ষেপ ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা।

হোল্ডিং সেন্টারে (Holding Centre) ৩ বাংলাদেশি

এ রাজ্যে বেআইনিভাবে বসবাসকারী বিদেশি ও অনুপ্রবেশকারীদের শনাক্ত করে দ্রুত ডির্পোট প্রক্রিয়া শুরু করতে নবান্ন সম্প্রতি কড়া নির্দেশ দিয়েছিল। জেলা শাসকদের কাছে পাঠানো নির্দেশিকায় স্পষ্ট জানানো হয়, বেআইনি অনুপ্রবেশকারীদের জন্য আলাদা ‘হোল্ডিং সেন্টার’ তৈরি করতে হবে। সেই নির্দেশ মেনে সীমান্ত পেরিয়ে অবৈধভাবে ঢুকে পড়া তিন বাংলাদেশি নাগরিককে আটক করে পাঠানো হল লালগোলার নতুন হোল্ডিং সেন্টারে। মুর্শিদাবাদের রানিতলা থানা এলাকা থেকে ওই তিনজনকে আটক করা হয়। তদন্তে জানা যায়, তাঁদের কাছে ভারতে থাকার কোনও বৈধ নথি ছিল না।

জানা গেছে, ধৃতদের নাম মহম্মদ সেলিম, মহম্মদ রুবেল এবং শরিফুল ইসলাম। এতদিন পর্যন্ত সাধারণত এ ধরনের অনুপ্রবেশকারীদের গ্রেফতার করে জেল হেফাজতে পাঠানো হত। তবে এবার প্রশাসন পুরনো পদ্ধতি বদলে নবান্নের নতুন নির্দেশিকা অনুসরণ করেছে। আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পর তাঁদের রাখা হয়েছে লালগোলার বিশেষ হোল্ডিং সেন্টারে।

স্বরাষ্ট্র দফতরের পক্ষ থেকে সমস্ত জেলা শাসক ও পুলিশ সুপারদের নির্দেশিকা পাঠিয়ে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ কিংবা মায়ানমার থেকে অবৈধভাবে সীমান্ত পেরিয়ে এ রাজ্যে ঢুকে পড়া নাগরিক বা রোহিঙ্গাদের সাধারণ বন্দিদের সঙ্গে জেলে রাখা যাবে না। যাঁদের বিরুদ্ধে ফরেনার্স অ্যাক্টে মামলা রয়েছে, তাঁদের আদালতে পেশ করার পর সরাসরি সরকারি হোল্ডিং সেন্টার বা ডিটেনশন ক্যাম্পে পাঠাতে হবে। সেখান থেকেই দ্রুত তাঁদের নিজেদের দেশে ফেরানোর ব্যবস্থা করা হবে।

Major step to prevent infiltration, 3 immigrators sent to Lalgola holding centre

আরও পড়ুন :মিলবে ৩০০০! অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের জন্য লম্বা লাইন বারাসাতে, তারপরই যা হল…

জানা গেছে, বিএসএফ ও জেলা পুলিশ যৌথভাবে তাঁদের পরিচয় এবং সীমান্ত পারাপারের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করছে। আন্তর্জাতিক স্তরে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে দ্রুত তাঁদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নতুন প্রশাসনিক ব্যবস্থার ফলে বেআইনি অনুপ্রবেশকারীদের শনাক্তকরণ ও প্রত্যর্পণের প্রক্রিয়া আরও দ্রুত হতে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে। মুর্শিদাবাদের এই ঘটনাকে সেই বৃহত্তর পদক্ষেপের সূচনা হিসেবেই দেখছেন অনেকে।