বর্ধমানে তাণ্ডব! ফলের দোকানে ভাঙচুর সহ কলা নিয়ে পালানোর অভিযোগ বামকর্মীদের বিরুদ্ধে

Published On:

বাংলাহান্ট ডেস্ক : বৃহস্পতিবার বর্ধমানের (Bardhaman) কার্জনগেট চত্বরে আইন অমান্য কর্মসূচির ডাক দেয় বামেরা। অভিযোগ উঠছে ওই মিছিলে নাকি লাঠিচার্জ করে পুলিশ। জবাবে পাল্টা ইট-পাটকেল ছোড়েন বাম কর্মী-সমর্থকেরাও (CPM)।

বামেদের আইন-অমান্য ঘিরে ধুন্ধুমার বর্ধমান (Bardhaman) । একেবারে বর্ধমান শহরের প্রাণকেন্দ্র কার্জন গেটে (Curzon Gate) বামেদের পূর্ব নির্ধারিত কর্মসূচি আইন অমান্য আন্দোলনে পুলিশ বাধা দিলে রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় এলাকা। এদিন শাসকদলের অস্বস্তি তুঙ্গে তুলে বর্ধমান শহরে ‘চোর ধরো জেল ভরো’ স্লোগান তুলে মিছিল করে বামেরা। দুর্নীতির দায়ে অভিযুক্ত নেতা-মন্ত্রীদের গ্রেফতারের দাবিতে সোচ্চার হন বাম নেতা-কর্মীরা। পুলিশকর্মীদের সঙ্গে বামেদের দফায়-দফায় সংঘর্ষ বাধে। বড় নীলপুর থেকে কার্জন গেটের দিকে বাম মিছিল এলে পরিস্থিতিউত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পুলিশ ব্যারিকেড দিয়ে মিছিল আটকানোর চেষ্টা করলেও ব্যারিকেড ভেঙে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে বাম নেতা-কর্মীরা। পরিস্থিতি সামাল দিতে কয়েকজন বাম নেতা-কর্মীকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তারপরই পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরিস্থিতি এমন পর্যায় পৌঁছয় যে, কার্জন গেটে বিশ্ব বাংলা লোগোই ভেঙে দেয় উত্তেজিত বাম কর্মীরা। এরপরই পরিস্থিতি সামাল দিতে লাঠিও চালায় পুলিশ।

চারি দিকে তখন চলছে দিকে ইট বৃষ্টি। আন্দোলনকারীদের হাত থেকে বাঁচলো না ফলের দোকানও। ওই দোকানে দড়ি দিয়ে ঝোলানো কলার ঝাঁক লক্ষ্য করেও ইট-পাটকেল ছুড়লেন বিক্ষোভকারীরা। শুধু তাই নয়, দোকান থেকে কলা নিয়েও পালাতে দেখা যায় তাঁদের। বৃহস্পতিবার এমনই চাঞ্চল্যকর দৃশ্য দেখা গেল বর্ধমানের কার্জনগেট চত্বরে। বামেদের বিক্ষোভ কর্মসূচিতে লণ্ডভণ্ড গোটা এলাকা। যদিও সিপিএমের দাবি, যাঁরা ফলের দোকানে ভাঙচুর চালিয়েছেন, তাঁরা সিপিএমের কেউ নন। সিপিএমের পূর্ব বর্ধমানের জেলা সম্পাদক সৈয়দ হোসেন বলেন, ‘ব্যবসায়ী বা সাধারণ মানুষের সঙ্গে আমাদের কোনও বিরোধ নেই। আমরা শান্তিপূর্ণ মিছিল করি। তৃণমূলের পুলিশই মারধর করে।’

রাজ্য তৃণমূলের মুখপাত্র দেবু টুডু বলেন, ‘২০১১ সালের পর থেকে সিপিএমকে খুঁজে পাওয়া যেত না। আলিপুর চিড়িয়াখানায় দেখতে যেতে হত। তারা এখন চিড়িয়াখানা থেকে বের হয়েছে। তাই কলা তো খাবেই। লুটপাট করবে। এটাই তো ওদের ধর্ম।’

সম্পর্কিত খবর

X