বাংলাহান্ট ডেস্ক: নব্বইয়ের দশকের জনপ্রিয় সঙ্গীতশিল্পী নচিকেতা চক্রবর্তী (nachiketa)। শুধু জনপ্রিয় বললে হয়তো তাঁর খ্যাতিকে ছোট করা হয়। সে জনপ্রিয়তার ব্যাপ্তি এতটাই যা লেখনীর মাধ্যমে সঠিক ভাবে প্রকাশ করা যাবে না। নচিকেতার গান, তাঁর জীবনদর্শনের মধ্যে লুকিয়ে রয়েছে গভীর অর্থ। বাইরের মোড়কে তা সহজে ধরা পড়বে না।
বাবার গুণ পেয়েছেন মেয়ে ধানসিড়ি চক্রবর্তীও (dhansiri chakraborty)। তিনিও গানের জগতের মানুষ। নিজের চেষ্টায় আজ বাংলা সঙ্গীতের দুনিয়ায় প্রতিষ্ঠিত ধানসিড়ি। রয়েছে নিজস্ব ব্যান্ডও। ছোট থেকে বাবা নচিকেতাই তাঁর সঙ্গীত গুরু ছিলেন। মঞ্চে বাবার পাশে দাঁড়িয়ে
গানও গেয়েছেন। তবে নচিকেতা মেয়েকে সব সময়েই পরামর্শ দিয়েছেন নিজের মতো করে গান গাইতে।
ধানসিড়ি জানান, বাবা বলেছিলেন গান কীভাবে গাইবেন সেটা তিনি নিজেই ঠিক করবেন। কোনো পরামর্শও দেননি নচিকেতা। আসলে তিনি চাননি তাঁর গায়কীর কোনো প্রভাব মেয়ের গানে পড়ুক। তাই ইন্ডাস্ট্রিতে স্বতন্ত্র ভাবেই কেরিয়ার শুরু করেছেন ধানসিড়ি। বাবার ব্যাপারে তাঁর বক্তব্য, “বাবার মতো করে আমার গানের মূল্যায়ন আর কেউ করতে পারে না। বাবা যদি শুধু বলে ভাল হয়েছে তার মানে বুঝে নিতে হবে খুব ভাল হয়েছে কাজটা।”
বাংলা প্লেব্যাক সিঙ্গিংয়ে নিজের জায়গা ইতিমধ্যেই প্রতিষ্ঠা করে নিয়েছেন ধানসিড়ি। ‘মহানায়িকা’, ‘অলীক সুখ’ এর মতো ছবিতে গান গেয়েছেন তিনি। তবে তাঁর আক্ষেপ, ছবির জন্য তেমন ভাল গানের প্রস্তাব আসে না তাঁর কাছে। যাও বা আসে বেশিরভাগই প্রেম বিষয়ক। তাই নিজস্ব গান তৈরির দিকে ঝুঁকেছেন ধানসিড়ি। যার মাধ্যমে শুধু প্রেম নয়, মানুষের মনের অন্য দিকগুলিও উঠে আসবে।
গত রবিবার মুক্তি পেয়েছে ধানসিড়ির গাওয়া ‘তুমি ছাড়া’। পাশাপাশি পুজোর আগেও ইন্দ্রজিৎ দের সুর ও পৃথ্বীশ বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথায় ধানসিড়ির প্রথম সিঙ্গল দুনিয়া ডিজিটাল মুক্তি পাবে।