বাংলা হান্ট ডেস্ক : রাজ্যে ভোটার তালিকা সংশোধন ঘিরে প্রশাসনিক তৎপরতা আরও জোরদার হচ্ছে। যেসব ভোটারের নাম এসআইআর-এর (SIR) তালিকা থেকে বাদ পড়েছে এবং তা নিয়ে মামলা বিচারাধীন, তাঁদের সমস্যার দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে ট্রাইবুনাল প্রক্রিয়া চালু করার প্রস্তুতি প্রায় সম্পূর্ণ। নির্বাচন ব্যবস্থাকে আরও স্বচ্ছ ও কার্যকর করতে এই উদ্যোগকে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
এসআইআর (SIR)-এর পুনর্বিবেচনা পদ্ধতি
এসআইআর -এ বিচারের অধীনে থাকা ভোটারদের নাম অর্থাৎ ‘আন্ডার অ্যাডজুডিকেশন’-এ থাকার পর যাদের নাম ডিলিটেড হয়েছে তাদের আর চিন্তার দরকার নেই। ট্রাইবুনালের মাধ্যমে দ্রুত কাজ শুরু হবে বলে জানিয়েছেন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক। জানা গেছে, রাজ্য সরকারের তরফে আজই নোডাল অফিসার নিয়োগ করা হয়েছে। মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের কথা অনুযায়ী, কাজ চলছে দ্রুত গতিতে। ছয়টি রুম তৈরি হয়ে গেছে। পরিকাঠামোর কাজ প্রায় শেষের দিকে।
ইতিমধ্যেই, নির্বাচন কমিশন জানিয়ে দিয়েছে, ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়লে কিভাবে তার ট্রাইবুনালে আবেদন করতে হবে। আবেদনের বিস্তারিত তথ্য আগেই তুলে ধরেছিল নির্বাচন কমিশন। কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, যেসব ভোটারদের তালিকা থেকে নাম বাদ পড়েছে তারা অনলাইন অফলাইন দুই পদ্ধতিতেই আবেদনের সুবিধা পাবেন। নিজের সুবিধামতো পদ্ধতি ব্যবহার করে পুনর্বিবেচনা করতে হবে।
অনলাইনে আবেদন জানাতে হলে, কমিশনের নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটে ‘সাবমিট অ্যাপিল্স ফর ইন্ডিভিজ়ুয়াল্স’ অপশনে ক্লিক করে
সহজেই আবেদন জমা দিতে পারবেন ভোটাররা।এই ব্যবস্থায় একটি নির্দিষ্ট শর্ত প্রযোজ্য। কিন্তু আপনার নাম নতুন করে অন্তর্ভুক্তির জন্য আপনি এই মাধ্যমে আবেদন পারবেন না। শুধুমাত্র যেসব ভোটারের নাম পূর্বে বিবেচনাধীন তালিকায় অন্তর্ভুক্ত ছিল, তাঁরাই ট্রাইবুনালে আবেদন জানাতে পারবেন। প্রয়োজনে, কারও নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার জন্য এই পদ্ধতি ব্যবহার করা যেতে পারে।

আরও পড়ুন : শুধুমাত্র লাগবে এই নথি, তাহলেই মিলবে গ্যাস, সিলিন্ডার বুকিংয়ে নয়া নিয়ম জানুন
অন্যদিকে, অফলাইনে আবেদন করতে ইচ্ছুক হলে সংশ্লিষ্ট জেলাশাসক বা মহকুমাশাসকের দফতরে লিখিত আবেদন জমা দিতে হবে। পরবর্তীতে সেই আবেদন সংশ্লিষ্ট আধিকারিক অনলাইনে আপলোড করবেন। তবে মূল আবেদনপত্র সংরক্ষণ করা বাধ্যতামূলক। কমিশনের নির্দেশিকা অনুযায়ী, পরিষ্কার সাদা কাগজে নিজের বক্তব্য লিখে আবেদন করতে হবে এবং তাতে অবশ্যই ভোটার কার্ডের নম্বর (এপিক নম্বর) উল্লেখ করতে হবে। এছাড়া, যদি কারও নাম অন্তর্ভুক্তি নিয়ে আপত্তি জানানো হয়, তাহলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির এপিক নম্বরও আবেদনপত্রে উল্লেখ করা আবশ্যক। এভাবে সহজেই ট্রাইবুনালের মাধ্যমে পুনর্বিবেচনার আবেদন করতে পারবে সাধারণ নাগরিকেরা। নির্বাচন কমিশনের এই নতুন বিজ্ঞপ্তিতে স্বস্তিতে সাধারণ মানুষ।











