অবাক কাণ্ড! চুরি হল ১২ টন কিটক্যাট, সন্ধানের জন্য অভিনব পদক্ষেপ নেসলের

Published on:

Published on:

Nestle's new way to find 12 tons of stolen KitKat.
Follow

বাংলাহান্ট ডেস্ক: জনপ্রিয় ওয়েব সিরিজ মানি হেইস্ট-এর কথা তো শুনেছেন! এবার ইউরোপে ঘটল কিটক্যাট হেইস্ট! ১২ টন কিটক্যাট (KitKat) চুরি যাওয়ার ঘটনায় আন্তর্জাতিক স্তরে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। জনপ্রিয় চকোলেট ব্র্যান্ডের এত বিপুল পরিমাণ পণ্য হঠাৎ উধাও হয়ে যাওয়ায় উদ্বেগ ছড়িয়েছে বিভিন্ন মহলে। এই পরিস্থিতিতে হারিয়ে যাওয়া চকোলেটের খোঁজে অভিনব উদ্যোগ নিল প্রস্তুতকারক সংস্থা নেসলে। সমাজমাধ্যমে একটি বিবৃতি জারি করে তারা জানিয়েছে, চুরি হওয়া কিটক্যাট খুঁজতে একটি বিশেষ ডিজিটাল ট্র্যাকার চালু করা হয়েছে।

চুরি যাওয়া বারো টন কিটক্যাট (KitKat) খুঁজতে নতুন উপায় নেসলের:

সংস্থার তরফে স্পষ্ট করে জানানো হয়েছে, এই ঘটনা কোনওভাবেই ‘এপ্রিল ফুল’- এর মতো কোনও মজা নয়, বরং বাস্তব। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “হারিয়ে যাওয়া কিটক্যাট নিয়ে আপনাদের উদ্বেগ আমরা বুঝতে পারছি। সত্যিই ১২ টন কিটক্যাট চুরি হয়েছে এবং আমরা এখনও জানি না সেগুলি কোথায় রয়েছে।” এই পরিস্থিতিতে গ্রাহকদের সাহায্যেই চুরি যাওয়া পণ্য শনাক্ত করার জন্য ট্র্যাকারটি তৈরি করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থা।

আরও পড়ুন: যুদ্ধের কৌশলে পরিবর্তন! গুগল-মেটা-অ্যাপলের মতো মার্কিন সংস্থায় হামলার হুঁশিয়ারি ইরানের

এই ট্র্যাকার ব্যবহারের পদ্ধতিও অত্যন্ত সহজ। সংস্থার শেয়ার করা লিঙ্কে ক্লিক করলে ‘স্টোলেন কিটক্যাট ট্র্যাকার’ নামে একটি অপশন পাওয়া যাবে। সেখানে গিয়ে ব্যবহারকারীকে নিজের কেনা কিটক্যাটের ব্যাচ নম্বর ইনপুট করতে হবে। এরপরই জানা যাবে, সেই চকোলেটটি চুরি হওয়া ব্যাচের অন্তর্ভুক্ত কি না। এর ফলে সাধারণ ক্রেতারাও এই তদন্ত প্রক্রিয়ার অংশ হয়ে উঠতে পারবেন বলে মনে করছে সংস্থা।

প্রসঙ্গত, গত ২৬ মার্চ ইউরোপে এই চুরির ঘটনা ঘটে। ইতালি ও পোল্যান্ডের মাঝপথে একটি ট্রাকে বোঝাই করে প্রায় ১২ টন কিটক্যাট নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল বাজারে সরবরাহের জন্য। কিন্তু মাঝরাস্তাতেই রহস্যজনকভাবে সম্পূর্ণ মাল উধাও হয়ে যায়। এতটাই নিখুঁতভাবে এই চুরি সংঘটিত হয়েছে যে, এখনও পর্যন্ত পুলিশ কিংবা সংস্থা কোনও নির্দিষ্ট সূত্র খুঁজে পায়নি।

Nestle's new way to find 12 tons of stolen KitKat.

আরও পড়ুন:তেল-গ্যাসের সঙ্কটের পর ইরান যুদ্ধের প্রভাব কন্ডোম শিল্পেও! ৫০ শতাংশ দাম বৃদ্ধির আশঙ্কা

এই ঘটনার পর থেকেই বিশ্বজুড়ে নেটমাধ্যমে আলোচনা তুঙ্গে। কীভাবে এত বড় পরিমাণ পণ্য একেবারে অদৃশ্য হয়ে গেল, তা নিয়ে উঠছে নানা প্রশ্ন। পাশাপাশি, সংস্থার এই ট্র্যাকার উদ্যোগকে অনেকেই অভিনব ও প্রযুক্তিনির্ভর সমাধান হিসেবে দেখছেন। তবে চুরি হওয়া কিটক্যাটগুলি (KitKat) আদৌ উদ্ধার করা সম্ভব হবে কি না, সেই প্রশ্নের উত্তর এখনও সময়ই দেবে।