‘মোদী হ্যায় তো মুমকিন হেয়’ নীতিশ ঘনিষ্ঠর গলায় ‘নমো বন্দনা’! বিহারে ফের পদ্ম? ফাটল ইন্ডিয়া জোটে

বাংলা হান্ট ডেস্ক : চব্বিশের আগেই একটার পর একটা ধাক্কা ইন্ডিয়া (INDIA) জোটে। বিহারের সাংসদের মন্তব্যে ফের একবার জল্পনা তুঙ্গে। গোবলয়ে বিজেপির (BJP) একচেটিয়া দাপট দেখে জেডিইউ (JDU) সাংসদ সুনীল কুমার পিন্টু বলেন, মোদি (Narendra Modi) হ্যায় তো মুমকিন হ্যায়। আর তারপর থেকেই শুরু হয়েছে ইন্ডিয়া জোটের কোন্দল। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, চব্বিশের আগেই সবদিক দিয়েই কোণঠাসা হয়ে পড়ছে জোট শক্তি।

   

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, পাঁচ রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশের পর থেকেই প্রশ্নের মুখে ইন্ডিয়া জোট। কংগ্রেসের তড়িঘড়ি বৈঠকের আয়োজন আর সেই বৈঠকে তৃণমূলকে আমন্ত্রণ না করা নিয়ে চর্চা তো ছিলই। আর এবার তাতে ঘি ঢাললো পিন্টু কুমারের এই মন্তব্য। সাংসদের এই বিতর্কিত মন্তব্যে দলের মধ্যেই কোণঠাসা হয়ে পড়েছে জেডিইউ।

পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর দেখা যায় তিন রাজ্যে একচেটিয়াভাবে জয়লাভ করেছে বিজেপি। রাজস্থান তো বটেই পাশাপাশি কংগ্রেসের একমাত্র আসার আলো ছত্তিশগড়েও ফুটেছে পদ্ম। মধ্যপ্রদেশে নিজেদের গড় ধরে রেখেছে গেরুয়া শিবির। আর তারপরেই এই বিতর্কিত মন্তব্য করে বসেন সুনীল কুমার পিন্টু। তিনি বলেন, ‘নির্বাচনের ফলেই তো পরিস্কার যে, মোদি হ্যায় তো মুমকিন হ্যায়। নির্বাচনী প্রচারেও একাধিকবার এই স্লোগান ব্যবহার করেছে বিজেপি।’

আরও পড়ুন : অবশেষে ল্যান্ডফল ঘূর্ণিঝড় ‘মিগজাউম’-র ! শুরু হল তাণ্ডব, সতর্কবার্তা দক্ষিণবঙ্গে

সাংসদ পিন্টুর এই মন্তব্যের পর থেকেই শোরগোল শুরু হয়েছে জেডিইউ-এর অন্দরমহলে। এই প্রসঙ্গে দলের মুখপাত্র নীরজ কুমার জানিয়েছেন, অবিলম্বে লোকসভা থেকে পদত্যাগ করতে হবে পিন্টুকে। সেই সাথে জেডিইউয়ের অন্যান্য সাংসদরা বলেন, এখনও মোদীর প্রতি আনুগত্য না গিয়ে থাকলে অবিলম্বে তার সাংসদ পদ ছেড়ে দেওয়া উচিত।

আরও পড়ুন : ‘ক্ষমতা কুক্ষিগত করে রাখলে পতন অবশ্যম্ভাবী’, মমতাকে উড়ন্ত তীর ছুঁড়লেন অভিষেক? উঠছে প্রশ্ন

86289095

যদিও বিজেপি সাংসদ পিন্টুর এই বক্তব্যকে সমর্থন জানিয়েছেন। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, গত বছর বিজেপি থেকে বেরিয়ে এসে আলাদা দল গঠন করেছিল নীতীশের জেডিইউ। এবং চলতি বছর অন্যান্য আঞ্চলিক দলের মত তারাও যোগ দেয় ইন্ডিয়া জোটে। তবে এবার বোধহয় তাতেও ভাঙনের ধোঁয়া। সূত্র বলছে, বুধবারের বৈঠকে উপস্থিত থাকছেননা নীতীশ কুমার (Nitish Kumar), অখিলেশ যাদবও (Akhilesh Yadav)। এমন পরিস্থিতিতে আদৌ এই বৈঠক হবে কি না সেটা নিয়েই সন্দেহ তৈরি হয়ে গেল।