মাঝ রাস্তায় “হিরের বৃষ্টি”! মুহূর্তেই জমে গেল ভিড়, তারপরে যা ঘটল….ভাইরাল ভিডিও

   

বাংলা হান্ট ডেস্ক: হিরে (Diamond) যে একটি বহুমূল্যের রত্ন তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। বাজারে হিরের গহনা কিনতে গেলে তাই রীতিমতো মোটা অঙ্কের খরচ করতে হয়। তবে এবার, কার্যত “হিরের বৃষ্টি” প্রত্যক্ষ করা গেল। হ্যাঁ প্রথমে বিষয়টি জেনে অবাক হয়ে গেলেও এটা কিন্তু একদমই সত্যি। শুধু তাই নয়, ইতিমধ্যে এই প্রসঙ্গে একটি ভিডিও ভাইরাল হতে শুরু করেছে সোশ্যাল মিডিয়ায় (Social Media)। যেটি দেখার পর অবাক হয়ে যাবেন প্রত্যেকেই।

মূলত, ডায়মন্ড সিটি সুরাটের একটি ভিডিও এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় তুমুল ভাইরাল হচ্ছে। যেখানে দেখা গিয়েছে রাস্তায় ওপরে পড়ে থাকা হিরে কুড়োনোর জন্য ভিড় জমিয়েছেন স্থানীয়রা। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী জানা গিয়েছে যে, এই ভিডিওটি মহিধরপুরা ও ভারাছা এলাকার। ওই এলাকায় হিরের মার্কেট রয়েছে। শুধু তাই নয়, সেখানে ফুটপাতে বসেও হিরে বিক্রি করেন অনেকে। এমতাবস্থায়, হঠাৎই চাউর হয়ে যায় যে, ওই মার্কেটে হিরে পড়ে রয়েছে। আর এই খবর শোনার পরই সেখানে ভিড় জমাতে থাকেন সকলে।

কিছুক্ষণের সেখানে প্রবল ভিড় জমে যায়। সকলেই রাস্তার ওপরে বসে দ্রুত হিরে কুড়োতে থাকেন। আর তখনই কিছুজন এই পুরো ঘটনার ভিডিও করেন। যা পরবর্তীকালে সোশ্যাল মিডিয়া মারফত সামনে আসে। সেখানেই পুরো বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে।

আরও পড়ুন: এ কি কাণ্ড! রেল স্টেশনে কুকুরের মতো ঘেউ ঘেউ হাজার খানেক যাত্রীর! কারণ জানলে চমকে উঠবেন

ভাইরাল হওয়া ওই ভিডিওটিতে দেখা গিয়েছে যে, মার্কেটের মধ্যেই দীর্ঘক্ষণ ধরে হিরে কুড়োতে ব্যস্ত আছেন সকলে। বয়স্ক থেকে শুরু করে কম বয়সীদেরকেও দেখা গিয়েছে সেখানে। এমতাবস্থায়, এহেন ভিডিও পরিলক্ষিত করে নেটিজেনরাও বিভিন্ন মজাদার প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন।

আরও পড়ুন: গ্রহ নক্ষত্রের বিচারে ভয়ঙ্কর হবে এই বছরের দুর্গাপুজো, জ্যোতিষ শাস্ত্র থেকে উঠে এল ভবিষ্যৎবাণী

তারপরে কি ঘটল: যখনই ওই হিরেগুলি আসল না নকল এই পরীক্ষা করা হয়, তখনই সবার চক্ষু চড়কগাছ হয়ে যায়। আসলে এই হিরেগুলি ছিল আমেরিকান হিরে। যেগুলির দাম আসল হিরের চেয়ে অনেক কম নয়। শুধু তাই নয়, এগুলি কেজি দরেও বিক্রি হয়। আর এই বিষয়টি সামনে আসার পরই যাঁরা হিরে কুড়িয়েছিলেন তাঁদের কার্যত আশাভঙ্গ হয়ে যায়।

Sayak Panda
Sayak Panda

সায়ক পন্ডা, মেদিনীপুর কলেজ (অটোনমাস) থেকে মাস কমিউনিকেশন এবং সাংবাদিকতার পোস্ট গ্র্যাজুয়েট কোর্স করার পর শুরু নিয়মিত লেখালেখি। ২ বছরেরও বেশি সময় ধরে বাংলা হান্ট-এর কনটেন্ট রাইটার হিসেবে নিযুক্ত।

সম্পর্কিত খবর