বাংলাহান্ট ডেস্ক : আদৌ খুন হননি বেলডাঙার (Beldanga) পরিযায়ী শ্রমিক। এমনই দাবি করল পুলিশ। মৃত পরিযায়ী শ্রমিক আলাউদ্দিন শেখের মৃত্যুর তদন্ত করতে মুর্শিদাবাদ পুলিশের বিশেষ তদন্তকারী দল ঝাড়খণ্ডে গিয়েছিল বলে খবর। তদন্ত চলাকালীন স্থানীয় জেলা পুলিশের সহায়তায় ঘটনাস্থল খতিয়ে দেখেন সাব ইন্সপেক্টর। পাশাপাশি এলাকার আরও কয়েকজন বাঙালি পরিযায়ী শ্রমিকের বয়ানও রেকর্ড করা হয়। তারা কেউই কোনও খুনের ষড়যন্ত্রের কথা উল্লেখ করেনি বলেই জানা যাচ্ছে।
বেলডাঙা (Beldanga) পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যুতে তদন্ত
জানা গিয়েছে, ঝাড়খণ্ডে ভাড়াবাড়িতে থাকতেন আলাউদ্দিন। তাঁর ময়না তদন্তের রিপোর্টে স্পষ্ট ভাবে বলা হয়েছে, গলায় ফাঁস লাগার ফলেই মৃত্যু হয়েছে। অর্থাৎ পোস্টমর্টেম রিপোর্টে আত্মহত্যার কথাই বলা হয়েছে। যদিও তাঁর শরীরে কোনও আঘাতের চিহ্ন মেলেনি বলেই উল্লেখ রিপোর্টে। অবসাদ থেকেই আত্মহত্যা হিসেবে দেখা হচ্ছে এটাকে।

হয়েছে বয়ান রেকর্ড: আলাউদ্দিনের দেহ সিলিং ফ্যান থেকে যিনি নামিয়েছিলেন, সেই কাসিম শেখেরও বক্তব্য রেকর্ড করেছে মুর্শিদাবাদ (Beldanga) পুলিশ। অন্যদিকে মৃতের মামাতো ভাই এরশাদ শেখের বক্তব্যও রেকর্ড করা হয়। কিন্তু কেউই খুনের বা কোনও অপ্রীতিকর ঘটনার কোনও ইঙ্গিত দেননি।
আরও পড়ুন : আরও কিছুদিনের স্বস্তি, মহুয়ার ‘ঘুষের বিনিময়ে প্রশ্ন’ মামলায় লোকপালকে আরও দুমাস সময় দিল হাইকোর্ট
উত্তপ্ত হয়েছে বেলডাঙার পরিস্থিতি: প্রসঙ্গত, সাম্প্রতিক সময়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে মুর্শিদাবাদে। গত ১৬ এবং ১৭ জানুয়ারি বেলডাঙার মহেশপুর এবং বড়ুয়া মোড় উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল। রাস্তা অবরোধ থেকে রেল অবরোধ, সরকারি সম্পত্তিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
আরও পড়ুন : ‘ক্ষমতা চিরস্থায়ী নয়’, ছাব্বিশের নির্বাচনের আগেই হঠাৎ এ কী কথা মুখ্যমন্ত্রীর!
অশান্তির জেরে অবরোধ করা হয় জাতীয় সড়ক। তার জেরে ব্যাপক যানজটেরও সৃষ্টি হয়। এমনকি এই রণক্ষেত্র পরিস্থিতির মাঝে পড়ে আক্রান্ত হয় সংবাদ মাধ্যমও।












