আরও কিছুদিনের স্বস্তি, মহুয়ার ‘ঘুষের বিনিময়ে প্রশ্ন’ মামলায় লোকপালকে আরও দুমাস সময় দিল হাইকোর্ট

Published on:

Published on:

Follow

বাংলাহান্ট ডেস্ক : মহুয়া মৈত্রের (Mahua Moitra) মামলায় লোকপালকে আরও দুমাস সময় দিল দিল্লি হাইকোর্ট। সংসদে ‘ঘুষের বিনিময়ে প্রশ্ন’ মামলায় সাংসদ মহুয়া মৈত্রের বিরুদ্ধে সিবিআইকে চার্জশিট পেশের অনুমোদন দেওয়ার ব্যাপারে বিবেচনার জন্য আরও সময় চাই বলে দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল লোকপাল। সেই আবেদনই মঞ্জুর করে আরও দুমাস সময় দিল আদালত।

মহুয়া মৈত্রের (Mahua Moitra) মামলায় সময় বাড়াল হাইকোর্ট

শুক্রবার দিল্লি হাইকোর্টের বিচারপতি অনিল ক্ষেত্রপাল এবং বিচারপতি হরিশ বৈদ্যনাথন শঙ্করের বেঞ্চ জানায়, লোকপালের আবেদনের ভিত্তিতে আদালত দুমাস সময় বৃদ্ধি করেছে। তবে সেই সঙ্গে শর্তও দেওয়া হয়েছে যে এরপর আর কোনও সময় দেওয়া হবে না।

Delhi High Court increased time limit in mahua moitra case

কী অভিযোগ মহুয়ার বিরুদ্ধে: উল্লেখ্য, সংসদে ‘ঘুষের বিনিময়ে প্রশ্ন’ মামলায় মহুয়ার বিরুদ্ধে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিল লোকপাল। সিবিআই তদন্ত করে বিস্তারিত রিপোর্ট জমা দিয়েছিল লোকপালের দফতরে। তদন্তে উঠে আসা বিষয়গুলি ব্যাখ্যা করে মহুয়ার বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট জমা দেওয়ার পাশাপাশি আইনি প্রক্রিয়া শুরুর অনুমতি চেয়েছিল সিবিআই। সেই অনুমতি দিয়ে চার সপ্তাহের মধ্যে চার্জশিট জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল লোকপালের সম্পূর্ণ বেঞ্চ। পালটা দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র (Mahua Moitra)।

আরও পড়ুন : ডলারের তুলনায় রেকর্ড পতন টাকার, কবে হাল ফিরবে বাজারের?

আদালতের দ্বারস্থ মহুয়া: আদালতে মহুয়া সওয়াল করেন, লোকপাল যে প্রক্রিয়ায় সিবিআইকে অনুমতি দিয়েছে তা ত্রুটিপূর্ণ। লোকপালের নির্দেশের উপরে অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশও দাবি করেছিলেন মহুয়া। এরপরেই গত ডিসেম্বর মাসে দিল্লি হাইকোর্টের বিচারপতি বৈদ্যনাথন শঙ্করের বেঞ্চ লোকপালের চার্জশিট সংক্রান্ত নির্দেশ খারিজ করে বিষয়টি পুর্নবিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য এক মাস সময় দিয়েছিল। সেই সয়য়সীমা শেষ হওয়ার পর এবার লোকপালের আবেদনের ভিত্তিতে আরও দুমাস সময় বৃদ্ধি করল আদালত।

আরও পড়ুন : কনের সাজে নজরকাড়া মধুমিতা, ফিশ ফ্রাই থেকে মোগলাই খানা, কী ছিল বিয়ের মেনুতে?

মহুয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছিল, দুবাইয়ের শিল্পপতি দর্শন হীরানন্দানির কাছ থেকে টাকা নিয়ে সংসদে প্রশ্ন করেছেন তিনি। অভিযোগ উঠেছিল, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে অস্বস্তিতে ফেলার জন্য এই কাজ করেন মহুয়া। তারপরেই তাঁর সাংসদপদ খারিজ করার জন্য দাবি তুলেছিলেন বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবে।