বাংলাহান্ট ডেস্ক : ডলারের বিরুদ্ধে আবারও পড়ল টাকার (Indian Currency) দাম। শুক্রবার মার্কিন ডলারের তুলনায় রেকর্ড সর্বনিম্ন স্তরে বন্ধ হয়েছে ভারতীয় টাকা। বিশেষজ্ঞদের মতে, সম্প্রতি কয়েকটি সেশনে শেয়ার বাজারে লাগাতার পতন এবং বিদেশি বিনিয়োগকারীদের ব্যাপক হারে লগ্নি প্রত্যাহারের জেরে টাকার উপরে বেড়েছে চাপ। মনে করা হচ্ছে, আন্তর্জাতিক বাজারে ডলারের শক্তি বৃদ্ধি থেকে সোনা এবং বিভিন্ন আমদানিকারক সংস্থার তরফে ডলারের চাহিদা বৃদ্ধি, অফশোর বাজারে জল্পনা ভিত্তিক কেনাবেচার কারণেই টাকার উপরে বেড়েছে চাপ।
ডলারের তুলনায় দুর্বল ভারতীয় মুদ্রা (Indian Currency)
চলতি সপ্তাহেই প্রায় ১ শতাংশের বেশি দুর্বল হয়ে পড়েছে ভারতীয় টাকা। চলতি মাসে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা প্রায় ৩.৫ বিলিয়ন ডলার তুলে নিয়েছেন শেয়ার বাজার থেকে। এর সরাসরি প্রভাব পড়েছে বাজারে। জানুয়ারি মাসে নিফটি সূচক নেমে গিয়েছে প্রায় ৫ শতাংশ। অন্যদিকে বেঞ্চমার্ক সূচক কমেছে ৩ শতাংশেরও বেশি।

কত কমেছে দর: ২০২৫ এ ৫ শতাংশ পতনের পর জানুয়ারিতে এখনও পর্যন্ত ২ শতাংশের বেশি দর কমে গিয়েছে টাকার (Indian Currency)। পরপর ধাক্কায় কার্যত টালমাটাল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে অর্থনীতিতে। শুক্রবার দিনের শুরুতে বাজার ছিল ইতিবাচক। কিন্তু লাভ তুলে নেওয়ার প্রবণতার জন্য দ্রুত বিক্রির চাপ তৈরি হয়।
আরও পড়ুন: সিগন্যাল ভাঙলেই মোটা জরিমানা, আড়াই কোটি খরচে শহরের রাস্তায় বসছে অতন্দ্র ‘প্রহরী’
সূচক নেমে গিয়েছে বাজারে: এদিন বম্বে স্টক এক্সচেঞ্জের সেনসেক্স পড়ে যায় ৭৬৯.৬৭ পয়েন্ট। নিফটি ২৪১ পয়েন্ট কমে ২৫,০৪৮.৬৫ পয়েন্টে এসে ঠেকে। আদানি পোর্টস, ইটারনাল, ইন্ডিগো, অ্যাক্সিস ব্যাঙ্কের মতো শেয়ারে দেখা গিয়েছে সর্বাধিক বিক্রি।
আরও পড়ুন : বড়সড় নাশকতার ছক? প্রজাতন্ত্র দিবসের আগেই জম্মু কাশ্মীরে যৌথ সেনা অভিযান, নিকেশ জইশ জঙ্গি
এদিন মার্কিন ডলারের তুলনায় রেকর্ড সবথেকে কম স্তরে বন্ধ হয়েছে ভারতীয় টাকা। দিনের শেষে ১ ডলারের দাম এদিন দাঁড়ায় ৯১.৯৭ টাকা। আপাতত বাজারে অনিশ্চয়তা বজায় থাকবে বলেই মত বিশেষজ্ঞদের।












