বাংলা হান্ট ডেস্ক: টিম ইন্ডিয়ার বর্তমান হেড কোচ গৌতম গম্ভীরের (Gautam Gambhir) অধীনে ভারতীয় দল (India National Cricket Team) ২ টি ICC টুর্নামেন্ট জিতেছে। যদিও, গম্ভীরের কোচিংয়ের অধীনে ভারতীয় টেস্ট দলের পারফরম্যান্স অত্যন্ত হতাশাজনক। এই বিষয়টি বারংবার উঠে এসেছে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। এই কারণেই গৌতম গম্ভীরকে এখন প্রতিটি পদক্ষেপে খুব সতর্ক থাকতে হবে। শ্রীলঙ্কার (Sri Lanka) বিরুদ্ধে আসন্ন ২ ম্যাচের টেস্ট সিরিজটি গম্ভীরের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। পাশাপাশি, টিম ইন্ডিয়ার জন্যও এই সফর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ ২০২৭ সালের ICC ওয়ার্ল্ড টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে পৌঁছতে হলে টিম ইন্ডিয়াকে এই দু’টি ম্যাচেই জিততে হবে।
ক্রমশ চাপ বাড়ছে গৌতম গম্ভীরের (Gautam Gambhir):
ক্রিকব্লগারের একটি রিপোর্ট অনুসারে, গৌতম গম্ভীরের ওপর চাপ ক্রমশ বেড়েছে। হেড কোচ হওয়ার সময়ে তিনি তাঁর পুরো সাপোর্ট স্টাফকে সঙ্গে নিয়ে এসেছিলেন। কিন্তু, এখন শুধু তিনি এবং বোলিং কোচ মর্নে মরকেলই রয়েছেন। তাঁর কোচিংয়ে ভারত ২০২৫-এর ICC চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি ২০২৫ এবং ২০২৬-এর T20 বিশ্বকাপ জিতেছে। কিন্তু সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জগুলি এসেছে লাল বলের ক্রিকেটে।

রিপোর্টে কী দাবি করা হয়েছে: জানিয়ে রাখি যে, ইতিমধ্যেই ওই রিপোর্টে বলা হয়েছে যে, গৌতম গম্ভীর পরাজয়ের দায় নেন না। বরং খেলোয়াড়দের দোষারোপ করেন। BCCI আধিকারিকরা এতে অসন্তুষ্ট এবং এখন টেস্টে ধারাবাহিক খারাপ ফলাফলের পর গৌতম গম্ভীর BCCI-এর নেতিবাচক নজরে পৌঁছেছেন। মূলত, পরাজয়ের পরেও দায়িত্ব নিতে গম্ভীরের এই অনীহায় বোর্ডের কিছু আধিকারিক অসন্তুষ্ট। এমতাবস্থায়, শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে আসন্ন টেস্ট সিরিজটি গৌতম গম্ভীরের মেয়াদের একটি গুরুত্বপূর্ণ মূল্যায়ন হতে পারে। সাম্প্রতিক সময়ে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ২-২ ড্র বাদে, ভারত বিদেশের মাটিতে ভালো পারফর্ম করতে পারেনি। এমনকি টিম ইন্ডিয়া দেশের মাটিতেও ২ টি টেস্ট সিরিজ হেরেছে। তাই, সামগ্রিকভাবে WTC ফাইনালে পৌঁছনোর ক্ষেত্রে ভারতের আশা অনেকাংশেই শ্রীলঙ্কা সফরের ওপরই নির্ভর করছে।
আরও পড়ুন: বড় সিদ্ধান্ত কেন্দ্রের! পেট্রোল-ডিজেল-ATF-এ বাড়ল উইন্ডফল ট্যাক্স, নতুন হার হল কার্যকর
শ্রীলঙ্কা সিরিজটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ: যদি টিম ইন্ডিয়া শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজ হেরে যায় বা ফলাফল খারাপ হয়, তবে গম্ভীর প্রচণ্ড চাপের মুখে পড়বেন। বোর্ডের গম্ভীরের ওপর পূর্ণ আস্থা থাকলেও, টেস্ট ক্রিকেটে তাঁর ক্রমাগত হ্রাস পাওয়া খ্যাতির কারণে প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক। এদিকে, অন্য একটি সূত্র দাবি করেছে যে, হেড কোচ হিসেবে গম্ভীর যা যা চেয়েছিলেন, সাপোর্ট স্টাফ থেকে শুরু করে সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা পর্যন্ত প্রায় সবকিছুই তাঁকে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু দলের পারফরম্যান্স এখনও সেই আস্থার প্রতি সুবিচার করতে পারেনি।
আরও পড়ুন: চিন নয়, এবার ভারতেই তৈরি হবে সবথেকে বেশি iPhone! বড় পদক্ষেপ সরকারের
উল্লেখ্য যে, ক্রিকব্লগারকে সূত্র জানিয়েছে যে, পরাজয়ের জন্য খেলোয়াড়, সেন্টার অফ এক্সিলেন্স (CoE) বা সাপোর্ট স্টাফদের দোষারোপ করার অভিযোগ প্রায়শই গম্ভীরের বিরুদ্ধে উঠেছে। অথচ তিনি দল পরিচালনার সিদ্ধান্তের দায় খুব কমই নেন। ভেতরের খবর অনুযায়ী, ড্রেসিং রুমে এই মনোভাব কারো চোখ এড়ায়নি। সিনিয়র খেলোয়াড়রাও প্রাক্তন ক্রিকেটার এবং BCCI-এর অ্যাপেক্স কাউন্সিলের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেছেন। যদিও এই আলোচনাগুলি আনঅফিসিয়াল। তবুও, সামগ্রিক বিষয়ের পরিপ্রেক্ষিতে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন টিম ইন্ডিয়ার হেড কোচ গৌতম গম্ভীর।
















