বাংলা হান্ট ডেস্ক: সাম্প্রতিক সময়ে ক্রমবর্ধমান মুদ্রাস্ফীতি চিন্তা বাড়িয়েছে আমজনতার। যার ফলে দাম বাড়ছে খাদ্যপণ্যেরও। এই আবহেই এবার একটি বড় আপডেট সামনে এসেছে। মূলত, সাধারণ মানুষকে স্বস্তি দেওয়ার লক্ষ্যে সরকার সরকার ভোজ্য তেল (Edible Oil) তথা ভেজিটেবল অয়েলের আমদানি শুল্ক কমানোর বিষয়টি বিবেচনা করছে। সরকার (Government) এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে ক্রমবর্ধমান তেলের দাম নিয়ন্ত্রণে আনা যেতে পারে এবং উৎসবের মরসুমের (Festive Season) আগেই সাধারণ মানুষ উল্লেখযোগ্য স্বস্তি পেতে পারেন। এই দাবিটি রয়টার্সের একটি রিপোর্টে করা হয়েছে।
দাম কমতে পারে ভোজ্য তেলের (Edible Oil):
জানিয়ে রাখি যে, ভারত বিশ্বের বৃহত্তম তেল আমদানিকারী দেশ। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ভারত তার ভোজ্য তেলের চাহিদার প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ বিদেশ থেকে ক্রয় করে। ভারত প্রধানত পাম তেল থেকে শুরু করে সয়াবিন তেল এবং সূর্যমুখী তেল আমদানি করে। এই তেলগুলি মালয়েশিয়া, রাশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, ইউক্রেন আর্জেন্টিনার মতো দেশগুলি থেকে আসে।

রান্নার তেলের দাম কতটা বেড়েছে: উল্লেখ্য যে, ভারতে গত এক বছরে ভোজ্য তেলের দাম প্রায় ২০ শতাংশ বেড়েছে। সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বরের মধ্যে উৎসবের মরসুম শুরু হওয়ায় তেলের চাহিদা আরও বাড়বে বলে অনুমান করা হচ্ছে। এই সময়ে বেশি করে মিষ্টি, জলখাবার এবং অন্যান্য ভাজা খাবার তৈরি করে ও কেনার চাহিদা বেড়ে যায়। এমতাবস্থায়, সরকার মূল্যস্ফীতির চাপ কমাতে আমদানি শুল্ক কমানোর কথা বিবেচনা করছে।
আরও পড়ুন: নোয়েলের আপত্তি খারিজ করেই বড় সিদ্ধান্ত! টাটা সন্সের চেয়ারম্যান পদে চন্দ্রশেখরনের পুনর্নিয়োগ
আমদানি শুল্ক কত কমানো হবে: একটি সরকারি সূত্রকে উদ্ধৃত করে রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে যে, সরকারের লক্ষ্য হল ক্রমবর্ধমান মুদ্রাস্ফীতি থেকে জনগণকে স্বস্তি দেওয়া। তবে সরকার কৃষকদের স্বার্থও বিবেচনা করবে। সরকার বেসিক আমদানি শুল্ক ৫ শতাংশ কমাতে পারে।
আরও পড়ুন: গোলের সেঞ্চুরি করে ৪৯ তম ট্রফি জয়! মেসি ম্যাজিকেই কাম্পিয়োনেস চ্যাম্পিয়ন ইন্টার মায়ামি
এই পদক্ষেপ দেশে সয়াবিনের দাম সরকার-নির্ধারিত ন্যূনতম সহায়ক স্তরের ওপরে রাখতে এবং তৈলবীজ চাষিদের লোকসান থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করতে পারে। আমদানি শুল্ক কমানোর আরও একটি প্রভাবও পরিলক্ষিত হতে পারে। ভারতে চাহিদা বৃদ্ধির ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে পাম তেল ও সয়াবিন তেলের দাম বাড়তে পারে। এমতাবস্থায়, শিল্প সংক্রান্ত আধিকারিকরা জানিয়েছেন যে, এই কারণে আজ শুধু আমদানি শুল্ক কমানো মূল্য নিয়ন্ত্রণের কার্যকর উপায় নাও হতে পারে।













