নেই গাড়ি, এদিকে কোটি টাকার FD ব্যাঙ্কে, ব্রাত্য বসুর সম্পত্তির খতিয়ান জানেন ?

Published on:

Published on:

Property records of Bratya Basu
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্ক : রাজ্যের রাজনীতিতে এমন কিছু মুখ রয়েছেন, যাঁদের পরিচয় শুধুমাত্র রাজনৈতিক ক্ষেত্রেই সীমাবদ্ধ নয়। তেমনই একজন এই ব্যক্তি। শিক্ষাবিদ, নাট্যকার ও অভিনেতা হিসেবে নিজস্ব পরিচিতি গড়ে তোলার পর রাজনীতির মঞ্চে সফলভাবে প্রতিষ্ঠা পেয়েছেন ব্রাত্য বসু (Bartya Basu)। দীর্ঘদিনের অধ্যাপনা থেকে শুরু করে মন্ত্রিত্ব—সব ক্ষেত্রেই তাঁর উপস্থিতি উল্লেখযোগ্য। ব্রাত্য বসু দমদম কেন্দ্র থেকে বিধানসভা নির্বাচনের লড়াইয়ে নেমেছেন।

ব্রাত্য বসুর (Bratya Basu) মোট সম্পত্তি

দীর্ঘদিন অধ্যাপনার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তিনি। তবে ২০১৬ সালে দ্বিতীয়বার বিধায়ক হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার পর স্বেচ্ছাবসর গ্রহণ করেন। বর্তমানে তিনি রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী। আয়ের নিরিখে গত কয়েক বছরে ব্রাত্য বসুর আয় ক্রমশ বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে তাঁর ১৪ লক্ষ ৫২ হাজার ৭৫০ টাকার সম্পত্তি ছিল। এই অর্থবর্ষে যা বৃদ্ধি পেয়ে ২৫ লক্ষ ৬৩ হাজার ৭৩০ টাকায় দাঁড়িয়েছে।

নির্বাচনী হলফনামা অনুযায়ী, ব্রাত্য বসুর নামে কোনও এফআইআর নেই। তাঁর হাতে নগদ মজুত ছিল ৪০ হাজার টাকা। ব্রাত্য বসুর নামে ফিক্সড ডিপোজিট রয়েছে ৩৫ লক্ষ ২৩ হাজার ৬৮২ টাকা, পিপিএফে জমা রয়েছে ৪৪ লক্ষ ৩০ হাজার ২৭৭ টাকা এবং টার্ম ডিপোজিটে রয়েছে ৩৫ লক্ষ টাকা। এছাড়া পোস্ট অফিস সেভিংস স্কিমে রয়েছে ১২ লক্ষ ৮৮ হাজার ৪৮৩ টাকা।

শিক্ষামন্ত্রীর বেশ কিছু ব্যাঙ্ক একাউন্ট রয়েছে। সেগুলিতে যথারীতি ১ কোটি ৫৩ লক্ষ ১ হাজার ২৪৬ টাকা, ৬৭ লক্ষ ৫ হাজার ৩৯৭ টাকা, ৫০ হাজার ৫৮৯ টাকা করে রয়েছে। নির্বাচনে খরচের জন্য ২০ হাজার টাকা আলাদা করে রাখা রয়েছে তাঁর।

উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, ব্রাত্য বসুর কোনো ঋণ নেই। হলফনামা অনুযায়ী তাঁর নামে কোনও গাড়িও নেই। গয়নার মধ্যে ব্রাত্য বসুর কাছে রয়েছে ১০০ গ্রাম সোনা, যার আনুমানিক মূল্য ১৫ লক্ষ ৩৩ হাজার টাকা। মোট অস্থাবর সম্পত্তির নিরিখে ব্রাত্য বসুর সম্পদের পরিমাণ ৩ কোটি ১৬ লক্ষ ৪ হাজার ১৯২ টাকা।

Property records of Bratya Basu

আরও পড়ুন :পুরনো ভোটার কার্ডেই ভোট, নাকি নতুন পাবেন? SIR শেষে বড় আপডেট

স্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে, লেকটাউনে প্রায় ২৫০০ বর্গফুটের একটি ফ্ল্যাট রয়েছে ব্রাত্য বসুর, যার মূল্য প্রায় ১ কোটি ২৫ লক্ষ টাকা। অভিনেতা, পরিচালক ও বিধায়ক বিভিন্ন জায়গা তার আয়ের উৎস। এমনকি তিনি অ্যাসিস্টেন্ট প্রফেসর হিসেবে পেনশনও পান। নির্বাচনকে সামনে রেখে তাঁর এই সম্পত্তির হিসেব নতুন করে রাজনৈতিক চর্চার বিষয় হয়ে উঠেছে।