বাঁদরের কামড়ই ভারতের জার্সিতে সাফল্য দিয়েছে রিঙ্কুকে! বড় রহস্য ফাঁস করলেন KKR তারকার সতীর্থ

বাংলা হান্ট নিউজ ডেস্কঃ গত মরশুমের আইপিএলে (IPL 2023) নাইটদের (KKR) হয়ে অসাধারণ ক্রিকেট খেলার পর এবার ভারতীয় দলের (Indian Cricket Team) জার্সিতেও রিঙ্কু সিং (Rinku Singh) দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করে চলেছেন। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে দেশের মাটিতে সাম্প্রতিক টি-টোয়েন্টি সিরিজে, তিনি একজন ফিনিশার হিসাবে তার প্রতিভার প্রমাণ রাখেন। তিনি ৪ ইনিংস খেলে একজন ফিনিশার হিসাবে দুর্দান্ত স্ট্রাইক রেট সহ ১০৫ রান করেছিলেন। ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট মোটামুটি তরুণ ক্রিকেটারদের দিয়ে টি-টোয়েন্টি ফরম্যটে এগোতে চাইছেন। কিন্তু শুভমান গিলের (Shubman Gill) মতো তারকা ক্রিকেটার না থাকার কোনও প্রভাবই পড়েনি দলের খেলায়। ৪-১ ফলে অজিদের হারায় ভারতীয় দল।

   

রিঙ্কু সিং-এর কেরিয়ার এখনো খুব অল্পই অগ্রসর হয়েছে। কিন্তু তার মধ্যেই একজন সফল ক্রিকেটার হওয়ার সম্ভাবনা দেখা গিয়েছে তার মধ্যে। তার একটা বড় গুণ হলেও যে খুব চাপের মুহূর্তেও তার মাথা অত্যন্ত ঠান্ডা থাকে। এই গুণটা তিনি কিভাবে আয়ত্ত করেছেন সেই প্রশ্নের জবাবও দিয়েছেন রিঙ্কু।

rinku 46

তিনি বলেছেন ছোটবেলায় যখন তিনি ব্যাটিং করতে নামতেন, উত্তরপ্রদেশের হয়ে বিভিন্ন ঘরোয়া ক্রিকেটের টুর্নামেন্টের তখন তিনি পাঁচ নম্বরে ব্যাটিং করতেন। আর মাথায় একটা ব্যাপার ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছিল যে তিন চার জন টপ অর্ডার ব্যাটার আউট হলে তবেই তার ব্যাটিংয়ের সুযোগ আসবে। তার জন্য যেন তিনি তৈরি থাকেন। অত্যন্ত কম বয়স থেকে চাপ সামলে সামলেই আজ ভারতীয় দলের জার্সিতেও কঠিন পরিস্থিতিতে নির্বিকার থাকতে পারেন রিঙ্কু।

আরও পড়ুন: রোহিত শর্মাকে বড় ধাক্কা দিলেন জয় শাহ! BCCI-এর সিদ্ধান্তে চোখে অন্ধকার দেখছেন হিটম্যান

সেই সঙ্গে গত কয়েক বছরে রিঙ্কু নিজের খেলায় আরও একটা গুরুত্বপূর্ণ উপাদান যোগ করেছেন, যা হল ফিটনেস। রিঙ্কু শুধুমাত্র ব্যাট হাতে নয়, ফিল্ডিংয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে দলকে সাহায্য করতেও সক্ষম। তার জন্য নিয়মিত অনুশীলনে বাড়তি সময় দেন রিঙ্কু। পরোক্ষভাবে এই ঘটনা তার ব্যাটিংকেও সাহায্য করছে।

আরও পড়ুন: বড় ভুল করলেন কোহলি! হাতছাড়া করলেন বাবর আজমকে টপকে শীর্ষে পৌঁছনোর বিরাট সুযোগ

কিন্তু কিভাবে এতটা ক্ষিপ্রতা অর্জন করলেন রিঙ্কু? এই প্রশ্নের একটা মজার জবাব দিয়েছেন তাদের সতীর্থ শুভমান গিল। রিঙ্কুর একটি সাক্ষাৎকারের সময়ে গিল হাসতে হাসতে এই ব্যাপারে মন্তব্য করে বলেছেন, “ওকে আসলে বাঁদরে কামড়েছে। তাই এত জোড়ে দৌড়য়।” এরপর দুই ক্রিকেটারই হাসিতে ফেটে পড়েন।