কালীঘাট তৃণমূলের পর নতুন তৃণমূল! নন্দীগ্রাম, রেজিনগর উপনির্বাচনের প্রার্থী ঘোষণা ঋত শিবিরের

Published on:

Published on:

Ritabrata Banerjee Trinamool Congress announced Nandigram Rejinagar bye election candidates
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ আগামী ৬ অক্টোবর নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরে উপনির্বাচন (Bye Election)। রবিবার সন্ধ্যাতেই এই দুই কেন্দ্রের প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেছিল মমতাপন্থী কালীঘাট তৃণমূল (Trinamool Congress)। ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই দুই আসনের প্রার্থী ঘোষণা করল ঋতব্রত শিবির।

নন্দীগ্রাম-রেজিনগরে নতুন তৃণমূলের প্রার্থী কারা? | (Trinamool Congress)

আসন্ন উপনির্বাচনে নন্দীগ্রামে ঋতব্রতপন্থী নতুন তৃণমূলের প্রার্থী মহম্মদ এতেশামুল হক। অন্যদিকে রেজিনগরে টিকিট দেওয়া হয়েছে সফিউজ্জামান শেখকে। অন্যদিকে নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর আসনে কালীঘাট তৃণমূলের তরফ থেকে যথাক্রমে সঞ্চিতা প্রধান দে ও রবিউল আলম চৌধুরীকে দাঁড় করানো হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ মাসের শুরুতেই ছুটির ধামাকা! অক্টোবরে সরকারি কর্মীদের পোয়া বারো, রইল হলিডে লিস্ট

তৃণমূলের দুই শিবিরের মধ্যে প্রতীক নিয়ে সংঘাত এখনও চলেছে। গত শনিবার দুই পক্ষের সঙ্গেই আলাদা করে বৈঠক করেছে নির্বাচন কমিশন। তবে ‘জোড়াফুল’ কে পাবে সেই বিষয়ে এখনও কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।

এদিকে কমিশনের ঘোষণা অনুযায়ী নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর উপনির্বাচনের জন্য মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন এগিয়ে আসছে। আগামী ১৬ সেপ্টেম্বরের মধ্যে মনোনয়ন জমা করতে হবে এবং মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন ১৯ সেপ্টেম্বর। তার আগেই দুই কেন্দ্রের প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করে দিল তৃণমূলের দুই শিবির।

নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরে উপনির্বাচন ঘোষণা হওয়ার পর কানাঘুষো শোনা যাচ্ছিল, নন্দীগ্রামে কালীঘাট তৃণমূলের প্রার্থী হতে পারেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে। ঋত শিবিরের তরফে জানানো হয়েছিল, মমতা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলে তাঁরা কোনও প্রার্থী দেবে না। যদিও শেষ অবধি এমনটা হয়নি।

Trinamool Congress

হাইভোল্টেজ নন্দীগ্রামে মমতা শিবির আস্থা রেখেছে নতুন মুখ সঞ্চিতার উপর। পেশায় শিক্ষিকা সঞ্চিতা ২০১৮ সাল থেকে ২০২৩ সাল অবধি পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব সামলেছেন। এবার তাঁকেই টিকিট দিয়েছে দল। তাঁর বিরুদ্ধে ঋতব্রতদের নতুন তৃণমূল দাঁড় করিয়েছে মহম্মদ এতেশামুল হককে। ওয়াকিবহাল মহলের ধারণা, আসন্ন উপনির্বাচনে শাসকদল বিজেপির বিরুদ্ধে যতখানি লড়াই হবে, তার চেয়ে বেশি দড়ি টানাটানি হতে পারে দুই তৃণমূলের মধ্যে।