বাংলা হান্ট ডেস্ক : বিধানসভা নির্বাচনের দামামা বেজেছে। জোরকদমে প্রচার চলছে রাজনৈতিক দলগুলির। ভোটের ময়দান যত গরম হয়, ততই সামনে আসে নতুন নতুন অভিযোগ, পাল্টা অভিযোগ এবং রাজনৈতিক টানাপোড়েন। নির্বাচনী আবহে এই ধরনের ঘটনাই হয়ে ওঠে জনমতের অন্যতম কেন্দ্রীয় বিষয়। সেই আবহেই ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রকে ঘিরে বাড়ছে উত্তেজনা, যেখানে শাসক ও বিরোধী শিবিরের সংঘাত ক্রমশ তীব্রতর হচ্ছে।এর মাঝেই নির্বাচন কমিশনকে অভিযোগ জানাল শুভেন্দু অধিকারী (Subhendu Adhikary)।
কমিশনকে শুভেন্দুর (Subhendu Adhikary) অভিযোগ
ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রে এ বারের নির্বাচনে লড়াই শেয়ানে শেয়ানে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর মধ্যে রাজনৈতিক পারদ চড়ছে। শুভেন্দুর মনোনয়নকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ ছড়িয়েছে এলাকায়। এর মধ্যেই গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন শুভেন্দু অধিকারী। রবিবার মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার-এর কাছে ইমেল মারফত অভিযোগ দায়ের করেন শুভেন্দু।
শুভেন্দুর অভিযোগ পত্রে লেখা রয়েছে, ভবানীপুর কেন্দ্রে প্রচারের সময় সাদা পোশাকে থাকা পুলিশ কর্মীরা তার উপর নজর রাখছেন।
এমনকি শুভেন্দু যাদের সাথে সাক্ষাৎ করছেন বা আলাপ করছেন তাদের যাবতীয় তথ্য রাখছে পুলিশকর্মীরা। শুভেন্দুর অভিযোগ, এইভাবে ভোটারদের মনে আতঙ্ক তৈরি করা হতে পারে। বিজেপি নেতা জানিয়েছেন, “যাঁরা সাহস করে আমার সঙ্গে দেখা করছেন, তাঁদের চিহ্নিত করা হচ্ছে। এটা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার পরিপন্থী এবং ভোটারদের উপর পরোক্ষে চাপ সৃষ্টি করার কৌশল।” শাসক দলের নেত্রীকে আক্রমণ করে তিনি জানান, তৃণমূল নিজেদের স্বার্থে কলকাতা পুলিশকে ব্যবহার করছে। যার ফলে নির্বাচনী প্রক্রিয়া বাধাপ্রাপ্ত হতে পারে বলেই মত শুভেন্দুর।
শুধুমাত্র অভিযোগ করেই থেমে যাননি শুভেন্দু। তিনি নিজের অভিযোগের সমর্থনে সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টে সম্পূর্ণ ঘটনাটি জানিয়ে একটি পোস্ট করেন। বিজেপি নেতা সেই পোস্টে লেখেন,”ভবানীপুরে আক্রান্ত গণতন্ত্র।” তৃণমূলকে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, “এই ধরনের কৌশল আর কাজ করবে না। রাজ্যে তাদের একচ্ছত্র আধিপত্যের দিন শেষের পথে। ভবানীপুরের ভোটাররা এর উপযুক্ত জবাব দেবেন।”

আরও পড়ুন : আবারও মূল্যবৃদ্ধির চাপ! ২০০ টাকা বাড়ল গ্যাসের দাম
এমনকি শুভেন্দু দুজন ব্যক্তির ছবি প্রকাশ করে বলেছেন, ওই ব্যক্তিরা পুলিশ কর্মী। তাদের নাম পদবী সহ বিভিন্ন তথ্য তুলে ধরেছেন বিজেপি নেতা। নির্বাচনী আবহে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। এই ঘটনায় নির্বাচন কমিশনের কি পদক্ষেপ হয়, সেদিকেই তাকিয়ে রাজনৈতিক মহল।











