কোরিওগ্রাফার নয়, আসল কালপ্রিট…! ছবি বিতর্কে মৌনতা ভেঙে বড় বয়ান দিলেন সায়ন্তিকা

বাংলা হান্ট ডেস্ক : বিগত কয়েকদিন ধরেই দুই বাংলার মিডিয়ায় ছেয়ে রয়েছেন টলি অভিনেত্রী সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায় (Sayantika Banerjee)। পড়শীদেশে তার প্রথম ছবি ‘ছায়াবাজ’র কাজ চলছিল। যদিও সেই ছবির কাজ আপাতত বিশ বাঁও জলে। কারণ কিছুদিন আগেই শ্যুটিং ছেড়ে কলকাতায় ফিরে এসেছিলেন অভিনেত্রী। অভিযোগ, ছবির কোরিওগ্রাফার নাকি তার গায়ে হাত দিয়েছিলেন। পাশাপাশি অভিযোগ উঠেছিল প্রযোজক মণিরুল ইসলামের বিরুদ্ধেও।

সেই ঘটনার পর জল বহুদূর গড়িয়েছে। প্রতিক্রিয়া পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় জড়িয়ে পড়েছেন ছবির নায়ক জায়েদ খান এবং প্রযোজক মনিরুল ইসলাম। যদিও এতদিন চুপ করেই ছিলেন অভিনেত্রী নিজে। তবে এবার সেই মৌনতা ভেঙে নিজের দিকের যুক্তি তুলে ধরলেন তিনি। অভিনেত্রীর বক্তব্য, তার কথাকে ভুল ভাবে উপস্থাপনা করা হয়েছে। তরুণ নৃত্য পরিচালকের সঙ্গে নাকি কোনোরকম বিবাদ তার হয়নি।

   

এইদিন অভিনেত্রী বলেন, ‘সেই কোরিওগ্রাফারের সঙ্গে কোনও সমস্যাই হয়নি। অকারণে কেন একজন শিল্পীর নামে মিথ্যা বলতে যাব? ও খুব আগ্রহ নিয়ে নিজের কাজ করার চেষ্টা করছিল। হয়ত কথা বলতে বলতেই না বুঝে আমার হাত ধরে নাচের পজিশন বুঝিয়েছে, কাজটা বোঝানোর চেষ্টা করেছে। তার মধ্যে কোনও খারাপ উদ্দেশ্য ছিল না।’

আরও পড়ুন : লজ্জা শরম ভুলে নিজের বোনকেই বিয়ে করেছেন এই ৮ তারকা! তালিকায় রয়েছেন ২ বাঙালি

তবে কাজ কেন বন্ধ? জবাবে নায়িকা বলেন, কিছু বিষয় নিয়ে মতপার্থক্য তৈরি হওয়ার জন্যই বন্ধ রয়েছে শ্যুটিং। নায়িকার সাফ কথা, ‘একটি ছবি করার আগে তার পরিকল্পনা ঠিক করে করতে হয়। এ ক্ষেত্রে তার অভাব ছিল। শ্যুটিংয়েও সেই প্রভাব পড়ছিল। আমি দর্শককে হতাশ করতে চাই না। তাই এই বিষয়গুলি মিটিয়ে নিতে চাই।’ তার কথায়, যা গাফিলতি তা প্রযোজকের তরফ থেকেই ছিল। শুরু থেকেই নাকি অসহোযোগিতা পেয়েছেন।

আরও পড়ুন : ‘গায়ে ছাই ভষ্ম, মাথা ভর্তি জটা’, সাধকরূপী দেবকে দেখে কী বলছে নেটজনতা?

সায়ন্তিকা বলেন, “আমি বাংলাদেশে যাওয়ার পর থেকে প্রযোজকের সঙ্গে বহু বার যোগাযোগ করার চেষ্টা করেছি। ৫০ থেকে ৭০ বার ফোন করেছি। কিন্তু উনি কোনও কথা বলেননি। কেন জানি না!” যদিও দিন কয়েক আগে এই মনিরুলই সায়ন্তিকাকে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করেছিলেন। হোটেলে সময় কাটানো নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন।

আরও পড়ুন : কেউ মাধ্যমিক পাশ তো কেউ স্নাতক! বাংলা সিরিয়ালের নম্বর ওয়ান নায়িকাদের পড়াশোনা কতদূর?

sayantika 11

এই বিষয়ে তিনি স্পষ্টই বলেন, ‘কে আমাকে নিয়ে কী বলছে, তা নিয়ে আমি সত্যিই ভাবিত নই। কোনও সাফাই দেওয়ারও প্রয়োজন মনে করি না কারণ আমি জানি সত্যিটা কী। আর নায়ক-নায়িকা যদি ঘণ্টার পর ঘণ্টাও বসে থাকে, সমস্যা কোথায়?’ সর্বোপরি সায়ন্তিকার কথায় একটা জিনিস স্পষ্ট যে, তিনি সব বিবাদ মিটিয়ে কাজ করতে ইচ্ছুক। নায়িকা এই বিষয়ে বলেছেন, ‘টলিউড তথা ভারতীয় সিনেমার সব সুপারস্টারের সঙ্গে কাজ করেছি। আমার কাছে কাজ এবং তার প্রতি দায়বদ্ধতাটাই সব।’

Moumita Mondal
Moumita Mondal

মৌমিতা মণ্ডল, গ্র্যাজুয়েশনের পর শুরু নিয়মিত লেখালেখি। বিগত ৩ বছরেরও বেশি সময় ধরে লেখালেখির সাথে যুক্ত। প্রায় ২ বছর ধরে বাংলা হান্ট-এর কনটেন্ট রাইটার হিসেবে নিযুক্ত।

সম্পর্কিত খবর